সদ্য সন্তানহারা মেয়ের কোল ভরতে নবজাতক চুরি, অতঃপর...
jugantor
সদ্য সন্তানহারা মেয়ের কোল ভরতে নবজাতক চুরি, অতঃপর...

  ফরিদপুর ব্যুরো  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:১০:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

জন্মের পরপরই মারা যায় নাতি। সেজন্য অন্যের নবজাতক চুরি করে মেয়ের কোল ভরতে চেয়েছিলেন তার মা। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় তা আর পারলেন না নাজমা বেগম (৫০)।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে এ নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির ৭ ঘণ্টা পর পুলিশ ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঠেঙ্গামারী গ্রাম থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশ শিশু চুরির সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করেছে।

রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে চুরির পর সোমবার বেলা ১১টার দিকে নবজাতককে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে দুপুর ১টার দিকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়া হয় ওই নবজাতককে।

পুলিশ, হাসপাতাল ও আকলিমা বেগমের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ভর্তি হন সন্তানসম্ভাবা মা আকলিমা বেগম (২২)। আকলিমা মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার সৈয়দ নূর শিরখাড়া গ্রামের রুবেল মুন্সীর স্ত্রী। রুবেল মুন্সী একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।
রোববার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন আকলিমা। অস্ত্রোপচারের পর আকলিমা ও তার সদ্যজাত শিশুকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে রাখা হয়।

একই দিন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আরেক মা আন্না বেগম (২৪) একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। ওই শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফরিদপুর ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে শিশুটি মারা যায়। কিন্তু ওই প্রসূতির মা ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঠেঙ্গামারী গ্রামের ইসমাইল মোল্লার স্ত্রী নাজমা বেগম (৫০) নিজের মেয়ের কোল ভরিয়ে দিতে গত রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে আকলিমার সদ্যজাত শিশুটি চুরি করেন। তিনি শিশুটিকে চুরি করে প্রথমে ফরিদপুর সদরের নিখুর্দী গ্রামে মেয়ে লাবনী বেগমের (২২) বাড়িতে রাখেন। পরে তাকে সদরপুরে ঠেঙ্গামারী গ্রামে নিয়ে যান।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এসআই প্রবীর রায় জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে নিখুর্দী ও পরে ঠেঙ্গামারী গ্রামে অভিযান চালিয়ে সোমবার বেলা ১১টার দিকে নাজমা বেগমের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় আকলিমার চুরি যাওয়া শিশুকে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নাজমা বেগম ও তার এক মেয়ে লাবনী বেগমকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মোরশেদ আলম বলেন, নিজের মেয়ের কোল ভরিয়ে দেয়ার জন্য আকলিমার শিশুকে চুরি করেছিলেন নাজমা বেগম।

তিনি বলেন, সোমবার দুপুর ১টার দিকে আকলিমার সন্তানকে তার স্বামী রুবেল মুন্সীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

সদ্য সন্তানহারা মেয়ের কোল ভরতে নবজাতক চুরি, অতঃপর...

 ফরিদপুর ব্যুরো 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জন্মের পরপরই মারা যায় নাতি। সেজন্য অন্যের নবজাতক চুরি করে মেয়ের কোল ভরতে চেয়েছিলেন তার মা। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় তা আর পারলেন না নাজমা বেগম (৫০)।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে এ নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির ৭ ঘণ্টা পর পুলিশ ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঠেঙ্গামারী গ্রাম থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশ শিশু চুরির সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করেছে।

রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে চুরির পর সোমবার বেলা ১১টার দিকে নবজাতককে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে দুপুর ১টার দিকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়া হয় ওই নবজাতককে।

পুলিশ, হাসপাতাল ও আকলিমা বেগমের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ভর্তি হন সন্তানসম্ভাবা মা আকলিমা বেগম (২২)। আকলিমা মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার সৈয়দ নূর শিরখাড়া গ্রামের রুবেল মুন্সীর স্ত্রী। রুবেল মুন্সী একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।
রোববার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন আকলিমা। অস্ত্রোপচারের পর আকলিমা ও তার সদ্যজাত শিশুকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে রাখা হয়।

একই দিন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আরেক মা আন্না বেগম (২৪) একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। ওই শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফরিদপুর ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে শিশুটি মারা যায়। কিন্তু ওই প্রসূতির মা ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঠেঙ্গামারী গ্রামের ইসমাইল মোল্লার স্ত্রী নাজমা বেগম (৫০) নিজের মেয়ের কোল ভরিয়ে দিতে গত রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে আকলিমার সদ্যজাত শিশুটি চুরি করেন। তিনি শিশুটিকে চুরি করে প্রথমে ফরিদপুর সদরের নিখুর্দী গ্রামে মেয়ে লাবনী বেগমের (২২) বাড়িতে রাখেন। পরে তাকে সদরপুরে ঠেঙ্গামারী গ্রামে নিয়ে যান।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এসআই প্রবীর রায় জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে নিখুর্দী ও পরে ঠেঙ্গামারী গ্রামে অভিযান চালিয়ে সোমবার বেলা ১১টার দিকে নাজমা বেগমের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় আকলিমার চুরি যাওয়া শিশুকে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নাজমা বেগম ও তার এক মেয়ে লাবনী বেগমকে আটক  করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মোরশেদ আলম বলেন, নিজের মেয়ের কোল ভরিয়ে দেয়ার জন্য আকলিমার শিশুকে চুরি করেছিলেন নাজমা বেগম।

তিনি বলেন, সোমবার দুপুর ১টার দিকে আকলিমার সন্তানকে তার স্বামী রুবেল মুন্সীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন