কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেল থেকে লাশ উদ্ধার
jugantor
কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেল থেকে লাশ উদ্ধার

  কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২৩:১০:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালী

কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে মাছধরা ট্রলার মালিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আল্লাহর দান নামের ওই আবাসিক হোটেলের ২০৪নং কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আ. মানিক (৪৫) চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার মির্জাবাজার-সনুয়া এলাকার বাসিন্দা মো. আবুল হোসেনের ছেলে। মহিপুর মৎস্য বন্দরে বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়তের ঘাটে ‘এফবি আল্লাহ মালিক’ নামের তার মাছধরা ট্রলারটি রেখে ওই মৎস্য আড়তের শ্রমিক লিটনকে নিয়ে মানিক রোববার রাত ৮টার দিকে ওই হোটেলে ওঠেন।

রাতে পাশের ২০৫নং কক্ষেই ছিলেন লিটন। সোমবার সকাল থেকে মানিকের মোবাইল ফোনে ও দরজায় বারবার ধাক্কা দিয়েও কোনো সাড়া না পাওয়ায় পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ সোমবার দুপুরে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা ওই হোটেলের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে মানিকের মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় খাটের পাশে ফ্লোরে চিত হয়ে শোয়ানো অবস্থায় মানিকের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। হোটেল বয় রাহাতের বরাত দিয়ে আল্লাহর দান আবাসিক হোটেলের মালিক জসিম আকন যুগান্তরকে জানান, সর্বশেষ রাত ১০টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে বাইরে থেকে এসে তিনি কক্ষে প্রবেশ করেন। নিহত মানিকের ছোট ভাই আ. রহিম হোটেল কক্ষ থেকে লাশ উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন।

লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করার সময় মহিপুর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহের কোথাও আঘাতের চিহ্ন নেই। চলমান তদন্ত এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও জানান ওসি। খবর পেয়ে কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলী আহম্মদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেল থেকে লাশ উদ্ধার

 কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পটুয়াখালী
পটুয়াখালী

কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে মাছধরা ট্রলার মালিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আল্লাহর দান নামের ওই আবাসিক হোটেলের ২০৪নং কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আ. মানিক (৪৫) চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার মির্জাবাজার-সনুয়া এলাকার বাসিন্দা মো. আবুল হোসেনের ছেলে। মহিপুর মৎস্য বন্দরে বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়তের ঘাটে ‘এফবি আল্লাহ মালিক’ নামের তার মাছধরা ট্রলারটি রেখে ওই মৎস্য আড়তের শ্রমিক লিটনকে নিয়ে মানিক রোববার রাত ৮টার দিকে ওই হোটেলে ওঠেন।

রাতে পাশের ২০৫নং কক্ষেই ছিলেন লিটন। সোমবার সকাল থেকে মানিকের মোবাইল ফোনে ও দরজায় বারবার ধাক্কা দিয়েও কোনো সাড়া না পাওয়ায় পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ সোমবার দুপুরে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা ওই হোটেলের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে মানিকের মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় খাটের পাশে ফ্লোরে চিত হয়ে শোয়ানো অবস্থায় মানিকের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। হোটেল বয় রাহাতের বরাত দিয়ে আল্লাহর দান আবাসিক হোটেলের মালিক জসিম আকন যুগান্তরকে জানান, সর্বশেষ রাত ১০টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে বাইরে থেকে এসে তিনি কক্ষে প্রবেশ করেন। নিহত মানিকের ছোট ভাই আ. রহিম হোটেল কক্ষ থেকে লাশ উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন। 

লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করার সময় মহিপুর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহের কোথাও আঘাতের চিহ্ন নেই। চলমান তদন্ত এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও জানান ওসি। খবর পেয়ে কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলী আহম্মদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
 

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন