আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৪২ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত
jugantor
আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৪২ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত

  সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৪০:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

টানা কয়েক দিনের ভারিবর্ষণ ও উজানের ঢলের পানিতে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় সাড়ে ৪শ' হেক্টর জমির রোপা আমন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

আর আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীরবর্তী এলাকার জনসাধারণের মাঝে নতুন করে দেখা দিয়েছে বন্যা আতঙ্ক।

রাতারাতি পানি বৃদ্ধিতে হুমকির মুখে রয়েছে কয়েক হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ধান। কৃষকরা বলছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বন্যার পানি না কমলে তাদের স্বপ্ন ভেঙে যাবে।

এদিকে ভারিবর্ষণের ফলে গত তিন দিন ধরে পৌর শহরের মাদারীপুর ও চাঁদপুর মহল্লার প্রায় শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অফিস ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় উঁচু এলাকার জমিতে স্বপ্নের সোনার ফসল রোপা আমন ধান লাগিয়ে ছিলেন সিংড়ার চলনবিলের কৃষকরা। কিন্তু হঠাৎ টানা কয়েক দিনের ভারিবর্ষণ ও উজানের ঢলের পানিতে কৃষকের সেই স্বপ্ন ভেঙে যেতে বসেছে। ডুবতে শুরু করেছে ধান, সবজিসহ বিভিন্ন ফসল। দেখা দিয়েছে চারিদিকে বন্যা আতঙ্ক।

বড় চৌগ্রাম গ্রামের কৃষক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, হঠাৎ নতুন করে বন্যার পানিতে এলাকার বেশির ভাগ জমির রোপা আমন ধান তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বন্যাপরবর্তী উপজেলায় ২১ হাজার ৫শ' হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান ও বেশ কিছু সবজি চাষাবাদ হয়েছে। হঠাৎ বিলে ও নদ-নদীতে আবার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৪৩০ হেক্টর রোপা আমন ধান ও ১৭ হেক্টর সবজি পানিতে সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। তবে ভারিবর্ষণ না থামলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আল আমিন সরকার বলেন, বর্ষণের ফলে শহরের বেশ কিছু পরিবারের পানিবন্দি হওয়ার খবর পেয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে দ্রুত খাদ্য সহায়তার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৪২ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত

 সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টানা কয়েক দিনের ভারিবর্ষণ ও উজানের ঢলের পানিতে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় সাড়ে ৪শ' হেক্টর জমির রোপা আমন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

আর আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তীরবর্তী এলাকার জনসাধারণের মাঝে নতুন করে দেখা দিয়েছে বন্যা আতঙ্ক।

রাতারাতি পানি বৃদ্ধিতে হুমকির মুখে রয়েছে কয়েক হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ধান। কৃষকরা বলছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বন্যার পানি না কমলে তাদের স্বপ্ন ভেঙে যাবে।

এদিকে ভারিবর্ষণের ফলে গত তিন দিন ধরে পৌর শহরের মাদারীপুর ও চাঁদপুর মহল্লার প্রায় শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। 

মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অফিস ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় উঁচু এলাকার জমিতে স্বপ্নের সোনার ফসল রোপা আমন ধান লাগিয়ে ছিলেন সিংড়ার চলনবিলের কৃষকরা। কিন্তু হঠাৎ টানা কয়েক দিনের ভারিবর্ষণ ও উজানের ঢলের পানিতে কৃষকের সেই স্বপ্ন ভেঙে যেতে বসেছে। ডুবতে শুরু করেছে ধান, সবজিসহ বিভিন্ন ফসল। দেখা দিয়েছে চারিদিকে বন্যা আতঙ্ক। 

বড় চৌগ্রাম গ্রামের কৃষক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, হঠাৎ নতুন করে বন্যার পানিতে এলাকার বেশির ভাগ জমির রোপা আমন ধান তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বন্যাপরবর্তী উপজেলায় ২১ হাজার ৫শ' হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান ও বেশ কিছু সবজি চাষাবাদ হয়েছে। হঠাৎ বিলে ও নদ-নদীতে আবার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৪৩০ হেক্টর রোপা আমন ধান ও ১৭ হেক্টর সবজি পানিতে সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। তবে ভারিবর্ষণ না থামলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে জানান তিনি। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আল আমিন সরকার বলেন, বর্ষণের ফলে শহরের বেশ কিছু পরিবারের পানিবন্দি হওয়ার খবর পেয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে দ্রুত খাদ্য সহায়তার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন