চাচা-ভাতিজার ঝগড়া থামাতে গিয়ে খুন হলেন গৃহবধূ
jugantor
চাচা-ভাতিজার ঝগড়া থামাতে গিয়ে খুন হলেন গৃহবধূ

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩৭:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুইপক্ষের ঝগড়া থামাতে গিয়ে লাঠির আঘাতে নারগিস আক্তার (৩০) নামে দুই সন্তানের জননী গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের সাতগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারগিস আক্তার ওই গ্রামের ইজিবাইক চালক স্বপন মিয়ার স্ত্রী ও উপজেলার শিকারপুর গ্রামের ছিবিল মিয়ার মেয়ে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, সোমবার বিকালে সাতগাঁও গ্রামের রাজু মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে চাচা নুরু মিয়ার কথাকাটাকাটির ও একপর্যায়ে ঝগড়া হয়। এ সময় পাশের বাড়ির গৃহবধূ নারগিস আক্তার তাদের ঝগড়া থামাতে গেলে রাজু মিয়া হাতে থাকা লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই নারগিস লুটিয়ে পড়েন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলার তন্তর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে নারগিস মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ রাতে নারগিসের বাড়িতে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে নিহত নারগিস আক্তারের মা সায়েরা বেগম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

কসবা থানার ওসি মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

চাচা-ভাতিজার ঝগড়া থামাতে গিয়ে খুন হলেন গৃহবধূ

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুইপক্ষের ঝগড়া থামাতে গিয়ে লাঠির আঘাতে নারগিস আক্তার (৩০) নামে দুই সন্তানের জননী গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের সাতগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারগিস আক্তার ওই গ্রামের ইজিবাইক চালক স্বপন মিয়ার স্ত্রী ও উপজেলার শিকারপুর গ্রামের ছিবিল মিয়ার মেয়ে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, সোমবার বিকালে সাতগাঁও গ্রামের রাজু মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে চাচা নুরু মিয়ার কথাকাটাকাটির ও একপর্যায়ে ঝগড়া হয়। এ সময় পাশের বাড়ির গৃহবধূ নারগিস আক্তার তাদের ঝগড়া থামাতে গেলে রাজু মিয়া হাতে থাকা লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই নারগিস লুটিয়ে পড়েন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলার তন্তর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে নারগিস মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ রাতে নারগিসের বাড়িতে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে নিহত নারগিস আক্তারের মা সায়েরা বেগম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে কসবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

কসবা থানার ওসি মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন