বাঙালি নদীর ভাঙনের কবলে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন
jugantor
বাঙালি নদীর ভাঙনের কবলে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন

  বগুড়া ব্যুরো  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৪১:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বাঙালি নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। চরগোদাগাড়ী এলাকায় চরগোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নদীতে ধসে যাচ্ছে। যে কোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, গত কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সারিয়াকান্দিতে বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। মঙ্গলবার পানি ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নারচী ইউনিয়নের চরগোদাগাড়ী, গোদাগাড়ী, গণকপাড়া, গাছবাড়ী এবং হাটশেরপুর ইউনিয়নের চরবরুরবাড়ী, সদর ইউনিয়নের পাইকপাড়া, কুতুবপুর ইউনিয়নের চর মাছিরপাড়া, ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের বাঁশহাটার বিভিন্ন স্থানে নদী তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

চরগোদাগাড়ী এলাকায় চরগোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের তলার মাটি ধসে গেছে। পানি ভবনের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভবনের অর্ধেক অংশ নদীর মধ্যে রয়েছে। যে কোনো সময় স্কুল ভবনটি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমান বলেন, ২০০২ সালে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা হয়। গত ৫ বছর ধরে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। এ বছর নদীভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিক্ষক ছাড়াও এলাকাবাসী নদীভাঙন রোধে জরুরিভিত্তিতে কাজ করে স্কুল ভবনটি রক্ষায় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বাঙালি নদীর ভাঙনের কবলে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন

 বগুড়া ব্যুরো 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বাঙালি নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। চরগোদাগাড়ী এলাকায় চরগোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নদীতে ধসে যাচ্ছে। যে কোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, গত কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সারিয়াকান্দিতে বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। মঙ্গলবার পানি ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নারচী ইউনিয়নের চরগোদাগাড়ী, গোদাগাড়ী, গণকপাড়া, গাছবাড়ী এবং হাটশেরপুর ইউনিয়নের চরবরুরবাড়ী, সদর ইউনিয়নের পাইকপাড়া, কুতুবপুর ইউনিয়নের চর মাছিরপাড়া, ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের বাঁশহাটার বিভিন্ন স্থানে নদী তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

চরগোদাগাড়ী এলাকায় চরগোদাগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের তলার মাটি ধসে গেছে। পানি ভবনের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভবনের অর্ধেক অংশ নদীর মধ্যে রয়েছে। যে কোনো সময় স্কুল ভবনটি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজার রহমান বলেন, ২০০২ সালে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা হয়। গত ৫ বছর ধরে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। এ বছর নদীভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিক্ষক ছাড়াও এলাকাবাসী নদীভাঙন রোধে জরুরিভিত্তিতে কাজ করে স্কুল ভবনটি রক্ষায় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন