বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নামে চাঁদাবাজি, যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
jugantor
বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নামে চাঁদাবাজি, যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৫৫:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ সংযোগ পাইয়ে দেয়ার নামে পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে সেলিম মাঝি নামে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

৩৫০ পরিবারের কাছ থেকে এ টাকা উত্তোলন করা হয়। সেলিম সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি।

মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে সেলিম মাঝিকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-১১ এর লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের টহল দল অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পরে রাতেই বৈদ্যুতিক মিটার চাঁদাবাজির মামলায় সেলিমকে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব।

র‌্যাব সূত্র জানায়, দুই বছর আগে সেলিম মাঝি আন্ধারমানিক গ্রামের ৩৫০ পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা নেয়। ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা করে প্রতিটি পরিবার থেকে নেয়া হয়। কিন্তু দুই বছর পার হয়ে গেলেও পরিবারগুলো বিদ্যুতের সংযোগ পায়নি।

পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় জানতে পারেন মিটার ফি বাবদ কোনো টাকা সেলিম মাঝি অফিসে জমা দেননি। পরে ওই যুবকরাই উদ্যোগ নিয়ে গ্রামে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেন। এ নিয়ে সেলিম বিভিন্নভাবে ওই যুবকদের হুমকি ধমকি দেয়। একপর্যায়ে তার স্ত্রী সেতারা বেগমকে দিয়ে যুবকদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে।

পরে অভিযান চালিয়ে সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেলিমের ভাষ্যমতে, উত্তোলনকৃত টাকার বেশিরভাগই তেওয়রীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. শরীফ নিয়ে গেছে।

র‌্যাব-১১ এর লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মো. আবু ছালেহ বলেন, বৈদ্যুতিক মিটার নিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনায় সেলিম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নামে চাঁদাবাজি, যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ সংযোগ পাইয়ে দেয়ার নামে পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে সেলিম মাঝি নামে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

৩৫০ পরিবারের কাছ থেকে এ টাকা উত্তোলন করা হয়। সেলিম সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি। 

মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে সেলিম মাঝিকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-১১ এর লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের টহল দল অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পরে রাতেই বৈদ্যুতিক মিটার চাঁদাবাজির মামলায় সেলিমকে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব।

র‌্যাব সূত্র জানায়, দুই বছর আগে সেলিম মাঝি আন্ধারমানিক গ্রামের ৩৫০ পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা নেয়। ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা করে প্রতিটি পরিবার থেকে নেয়া হয়। কিন্তু দুই বছর পার হয়ে গেলেও পরিবারগুলো বিদ্যুতের সংযোগ পায়নি। 

পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় জানতে পারেন মিটার ফি বাবদ কোনো টাকা সেলিম মাঝি অফিসে জমা দেননি। পরে ওই যুবকরাই উদ্যোগ নিয়ে গ্রামে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেন। এ নিয়ে সেলিম বিভিন্নভাবে ওই যুবকদের হুমকি ধমকি দেয়। একপর্যায়ে তার স্ত্রী সেতারা বেগমকে দিয়ে যুবকদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। 

পরে অভিযান চালিয়ে সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেলিমের ভাষ্যমতে, উত্তোলনকৃত টাকার বেশিরভাগই তেওয়রীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. শরীফ নিয়ে গেছে।

র‌্যাব-১১ এর লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মো. আবু ছালেহ বলেন, বৈদ্যুতিক মিটার নিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনায় সেলিম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন