শিক্ষা কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণ, তদন্ত বানচালে অভিযুক্তের অনুসারীদের আন্দোলন
jugantor
শিক্ষা কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণ, তদন্ত বানচালে অভিযুক্তের অনুসারীদের আন্দোলন

  পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:০২:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর দশমিনায় তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণ হওয়া ৫৩ শিক্ষিকার কাছ থেকে দুই কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের ঘটনায় তদন্তে আসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উচ্চপর্যায়ের একটি দল।

ওই তদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়াসহ বানচালের জোর চেষ্টা চালান ঘুষ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মু. জাহিদ হোসেন। তদন্ত চলাকালে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালায় অভিযুক্তের অনুসারীরা।

অভিযোগ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, শিক্ষক জাতীয়করণের নামে ৫৩ শিক্ষিকার কাছ থেকে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় তৎকালীন দশমিনা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মু. জাহিদ হোসেন। এ ঘটনায় গত ১০ জুন যুগান্তরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে সংশ্লিষ্ট অধিদফতর ওই শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ডরিলিজ করে মির্জাগঞ্জে পদায়ন করেন।

একই সঙ্গে শিক্ষা অধিদফতরের (প্রশাসন-১) উপ-পরিচালক দেলোয়ার হোসেনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। পরে অভিযুক্তের তদবিরে তদন্ত কর্মকর্তা বদল হয়ে বরিশাল বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা দফতরের সহকারী পরিচালক আরিফ বিল্লাহকে তদন্তে ন্যস্ত করা নিয়েও বির্তক দেখা দেয়।

ঘটনাক্রমে পরে উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন) যুগ্ম সচিব ড. উত্তম দাশের নেতৃত্বে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, স্টোর অফিসার গিয়াস উদ্দিন এবং পটুয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহম্মদ ছাইয়াদুজ্জামান অংশে দুই দিনব্যাপী একটি তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

ওই তদন্ত চলাকালে অভিযোগকারী ও সাক্ষী রুবায়েত মাসুমকে শারীরিক লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালায় অভিযুক্তের অনুসারীরা।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদ বলেন, আমি শুধু সাক্ষ্য দিয়ে চলে এসেছি। এর বাইরে কিছুই জানি না।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহম্মদ ছাইয়াদুজ্জামান বলেন, তদন্ত স্থলের অভ্যন্তরে এবং বাইরে যা কিছু হয়েছে, সব কিছুই তদন্ত টিম অবগত আছে এবং সব কিছুই তদন্তে উঠে আসবে।

শিক্ষা কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণ, তদন্ত বানচালে অভিযুক্তের অনুসারীদের আন্দোলন

 পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর দশমিনায় তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণ হওয়া ৫৩ শিক্ষিকার কাছ থেকে দুই কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের ঘটনায় তদন্তে আসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উচ্চপর্যায়ের একটি দল। 

ওই তদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়াসহ বানচালের জোর চেষ্টা চালান ঘুষ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মু. জাহিদ হোসেন। তদন্ত চলাকালে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালায় অভিযুক্তের অনুসারীরা। 

অভিযোগ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, শিক্ষক জাতীয়করণের নামে ৫৩ শিক্ষিকার কাছ থেকে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় তৎকালীন দশমিনা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মু. জাহিদ হোসেন। এ ঘটনায় গত ১০ জুন যুগান্তরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে সংশ্লিষ্ট অধিদফতর ওই শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ডরিলিজ করে মির্জাগঞ্জে পদায়ন করেন। 

একই সঙ্গে শিক্ষা অধিদফতরের (প্রশাসন-১) উপ-পরিচালক দেলোয়ার হোসেনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। পরে অভিযুক্তের তদবিরে তদন্ত কর্মকর্তা বদল হয়ে বরিশাল বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা দফতরের সহকারী পরিচালক আরিফ বিল্লাহকে তদন্তে ন্যস্ত করা নিয়েও বির্তক দেখা দেয়। 

ঘটনাক্রমে পরে উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন) যুগ্ম সচিব ড. উত্তম দাশের নেতৃত্বে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, স্টোর অফিসার গিয়াস উদ্দিন এবং পটুয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহম্মদ ছাইয়াদুজ্জামান অংশে দুই দিনব্যাপী একটি তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। 

ওই তদন্ত চলাকালে অভিযোগকারী ও সাক্ষী রুবায়েত মাসুমকে শারীরিক লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালায় অভিযুক্তের অনুসারীরা। 

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদ বলেন, আমি শুধু সাক্ষ্য দিয়ে চলে এসেছি। এর বাইরে কিছুই জানি না। 

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহম্মদ ছাইয়াদুজ্জামান বলেন, তদন্ত স্থলের অভ্যন্তরে এবং বাইরে যা কিছু হয়েছে, সব কিছুই তদন্ত টিম অবগত আছে এবং সব কিছুই তদন্তে উঠে আসবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন