ঘুমের মধ্যে ছোটভাইকে শ্বাসরোধে হত্যায় বড় ভাইয়ের যাবজ্জীবন
jugantor
ঘুমের মধ্যে ছোটভাইকে শ্বাসরোধে হত্যায় বড় ভাইয়ের যাবজ্জীবন

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৭:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামে ২০১০ সালে ছোটভাই সামছুদ্দিন ইলিয়াছকে হত্যার দায়ে বড়ভাই মো. ইউছুফ আলী ওরফে মানিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এ আদেশ দিয়েছেন।

মামলার অপর চার আসামি মৃত মাহবুল হক ওরফে মাস্টার, এনামুল হক ওরফে এনাম, মানিক ওরফে জামাই মানিক ও আবদুল করিমকে এ হত্যা মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইউছুফ আলী পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সামছুদ্দিন ইলিয়াছ উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করতেন। নিয়মিত মদ, গাঁজা সেবন করে পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালাতেন। নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য তাকে একাধিকবার কারাগারে ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েও তার চারিত্রিক কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। এসব বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ছোটভাই সামছুদ্দিন ইলিয়াছকে হত্যার পরিকল্পনা করে বড়ভাই মো. ইউছুফ আলী মানিক। ২০১০ সালের ১০ আগস্ট রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসরোধ করে সামছুদ্দিন ইলিয়াছকে হত্যা করে ইউছুফ আলী মানিক।

সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর পারিবারিকভাবে ডাকাতির ঘটনায় খুনের ঘটনাটি ঘটেছে বলে ইউছুফ আলীসহ অন্যরা প্রচার করেন। এ কারণে পরিবারের কেউ এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে রাজি হননি। পরে কবিরহাট থানার এসআই মো. রবিউল হক বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ভাই ইউছুফ আলী ও মাহবুল হক ওরফে মাস্টারকে গ্রেফতার করলে তারা দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মাসুদ রানা বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা একই থানার এসআই মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী মামলার তদন্ত শেষে চারজন আসামির বিরুদ্ধে একই বছরের ১২ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেন। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি গুলজার আহমেদ জুয়েল। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মো. আবদুল কাদের।

ঘুমের মধ্যে ছোটভাইকে শ্বাসরোধে হত্যায় বড় ভাইয়ের যাবজ্জীবন

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামে ২০১০ সালে ছোটভাই সামছুদ্দিন ইলিয়াছকে হত্যার দায়ে বড়ভাই মো. ইউছুফ আলী ওরফে মানিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এ আদেশ দিয়েছেন।

মামলার অপর চার আসামি মৃত মাহবুল হক ওরফে মাস্টার, এনামুল হক ওরফে এনাম, মানিক ওরফে জামাই মানিক ও আবদুল করিমকে এ হত্যা মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইউছুফ আলী পলাতক রয়েছেন। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সামছুদ্দিন ইলিয়াছ উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করতেন। নিয়মিত মদ, গাঁজা সেবন করে পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালাতেন। নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য তাকে একাধিকবার কারাগারে ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েও তার চারিত্রিক কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। এসব বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ছোটভাই সামছুদ্দিন ইলিয়াছকে হত্যার পরিকল্পনা করে বড়ভাই মো. ইউছুফ আলী মানিক। ২০১০ সালের ১০ আগস্ট রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসরোধ করে সামছুদ্দিন ইলিয়াছকে হত্যা করে ইউছুফ আলী মানিক।

সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর পারিবারিকভাবে ডাকাতির ঘটনায় খুনের ঘটনাটি ঘটেছে বলে ইউছুফ আলীসহ অন্যরা প্রচার করেন। এ কারণে পরিবারের কেউ এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে রাজি হননি। পরে কবিরহাট থানার এসআই  মো. রবিউল হক বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ভাই ইউছুফ আলী ও মাহবুল হক ওরফে মাস্টারকে গ্রেফতার করলে তারা দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মাসুদ রানা বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা একই থানার এসআই  মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী মামলার তদন্ত শেষে চারজন আসামির বিরুদ্ধে একই বছরের ১২ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেন। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি গুলজার আহমেদ জুয়েল। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মো. আবদুল কাদের।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন