মাছ শিকারে গিয়ে গলায় ঢুকল কই!
jugantor
মাছ শিকারে গিয়ে গলায় ঢুকল কই!

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:১৬:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

মাছ শিকারে গিয়ে গলায় ঢুকল কই!

মাছ শিকারে গিয়ে সফিউদ্দিন (২০) নামে এ যুবকের গলায় ঢুকল জ্যান্ত কই মাছ। অবশেষে দীর্ঘ সময় নিয়ে গলা কেটে অস্ত্রোপচার করে বের করা হয় মাছটি।

মঙ্গলবার রাতে গলায় বিঁধে যাওয়া জ্যান্ত কই মাছকে অপারেশন করে বের করলেন প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কামিনী কুমার ত্রিপুরা।

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

জানা গেছে, করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে সফিউদ্দিন গত সোমবার বাড়ির পাশের বিলে যান। এ সময় মাছ মারতে গিয়ে ধরা পড়ে একটি কই। মাছটি মুখে রেখে পায়ের তলায় ধরা পড়া মাছ উদ্ধারের সময় অসাবধানতাবশত মুখের মাছটি গলায় ঢুকে যায়।

এ ঘটনায় সফিউদ্দিন মরণ যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলে তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে সন্ধ্যার পর নাক-কান-গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কামিনী কুমার ত্রিপুরার তত্ত্বাবধানে একদল চিকিৎসক দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর গলার একাংশ কেটে কই মাছটি বের করতে সক্ষম হন।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কামিনী কুমার ত্রিপুরা জানান, সফিউদ্দিন বর্তমানে মেডিকেলের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।

মাছ শিকারে গিয়ে গলায় ঢুকল কই!

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মাছ শিকারে গিয়ে গলায় ঢুকল কই!
ছবি: যুগান্তর

মাছ শিকারে গিয়ে সফিউদ্দিন (২০) নামে এ যুবকের গলায় ঢুকল জ্যান্ত কই মাছ। অবশেষে দীর্ঘ সময় নিয়ে গলা কেটে অস্ত্রোপচার করে বের করা হয় মাছটি।

মঙ্গলবার রাতে গলায় বিঁধে যাওয়া জ্যান্ত কই মাছকে অপারেশন করে বের করলেন প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কামিনী কুমার ত্রিপুরা।  

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

জানা গেছে, করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে সফিউদ্দিন গত সোমবার বাড়ির পাশের বিলে যান। এ সময় মাছ মারতে গিয়ে ধরা পড়ে একটি কই। মাছটি মুখে রেখে পায়ের তলায় ধরা পড়া মাছ উদ্ধারের সময় অসাবধানতাবশত মুখের মাছটি গলায় ঢুকে যায়।

এ ঘটনায় সফিউদ্দিন মরণ যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলে তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে সন্ধ্যার পর নাক-কান-গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কামিনী কুমার ত্রিপুরার তত্ত্বাবধানে একদল চিকিৎসক দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর গলার একাংশ কেটে কই মাছটি বের করতে সক্ষম হন।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কামিনী কুমার ত্রিপুরা জানান, সফিউদ্দিন বর্তমানে মেডিকেলের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।

 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন