স্কুলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে
jugantor
স্কুলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

  চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:০৮:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলা

চরফ্যাশনের ৫নং দক্ষিণ জিন্নাগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন খাতের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের উন্নয়নে স্লিপ, রুটিন ম্যান্টেনেন্স এবং প্রাক-প্রাথমিক খাতে বরাদ্দপ্রাপ্ত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা কোনো কাজ না করেই আত্মসাৎ করেছেন বলে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই চলতি অর্থবছরে ৫নং দক্ষিণ জিন্নাগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নে স্লিপ বরাদ্দের ৭০ হাজার টাকা, রুটিন ম্যান্টেনেন্স ৪০ হাজার টাকা ও প্রাক-প্রাথমিক প্রকল্পের বরাদ্দের ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব টাকা বরাদ্দ প্রাপ্তি এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সংশ্লিষ্টতার বিধান থাকলেও প্রধান শিক্ষক গোপনে এসব টাকা উত্তোলন করে কোনো কাজ ছাড়াই সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।

ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি মো. আলাউদ্দিন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই বিদ্যালয়ের উন্নয়ন খাতের টাকা আত্মসাৎ করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগের পর ওই শিক্ষক রেজুলেশন ও নোটিশ খাতায় কিছু না লিখে স্কুলের পিয়ন দুলালকে দিয়ে স্বাক্ষর করাতে পাঠান। ওই সময় ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা ওই খাতা আটকে রেখে পিয়নসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে যান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই দুটি খাতা জব্দ করেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ওই বিদ্যালয়ের উন্নয়ন খাতে ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয় সংস্কারের কাজে ব্যয় করা হয়েছে। আত্মসাতের বিষয়টি সঠিক নয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী জানান, ম্যানেজিং কমিটির স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রুহুল আমিন জানান, ওই শিক্ষক রেজুলেশন ও নোটিশ খাতায় কিছু না লিখে স্কুলের পিয়নকে দিয়ে স্বাক্ষর করাতে ম্যানেজিং কমিটির কাছে পাঠালে সদস্যরা ওই খাতা আটকে পিয়নসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন, পরে ওই খাতা জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্কুলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

 চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভোলা
চরফ্যাশন

চরফ্যাশনের ৫নং দক্ষিণ জিন্নাগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন খাতের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের উন্নয়নে স্লিপ, রুটিন ম্যান্টেনেন্স এবং প্রাক-প্রাথমিক খাতে বরাদ্দপ্রাপ্ত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা কোনো কাজ না করেই আত্মসাৎ করেছেন বলে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই চলতি অর্থবছরে ৫নং দক্ষিণ জিন্নাগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নে স্লিপ বরাদ্দের ৭০ হাজার টাকা, রুটিন ম্যান্টেনেন্স ৪০ হাজার টাকা ও প্রাক-প্রাথমিক প্রকল্পের বরাদ্দের ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এসব টাকা বরাদ্দ প্রাপ্তি এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সংশ্লিষ্টতার বিধান থাকলেও প্রধান শিক্ষক গোপনে এসব টাকা উত্তোলন করে কোনো কাজ ছাড়াই সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।

ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি মো. আলাউদ্দিন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই বিদ্যালয়ের উন্নয়ন খাতের টাকা আত্মসাৎ করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগের পর ওই শিক্ষক রেজুলেশন ও নোটিশ খাতায় কিছু না লিখে স্কুলের পিয়ন দুলালকে দিয়ে স্বাক্ষর করাতে পাঠান। ওই সময় ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা ওই খাতা আটকে রেখে পিয়নসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে যান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই দুটি খাতা জব্দ করেন। 

অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ওই বিদ্যালয়ের উন্নয়ন খাতে ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয় সংস্কারের কাজে ব্যয় করা হয়েছে। আত্মসাতের বিষয়টি সঠিক নয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী জানান, ম্যানেজিং কমিটির স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে।  

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রুহুল আমিন জানান, ওই শিক্ষক রেজুলেশন ও নোটিশ খাতায় কিছু না লিখে স্কুলের পিয়নকে দিয়ে স্বাক্ষর করাতে ম্যানেজিং কমিটির কাছে পাঠালে সদস্যরা ওই খাতা আটকে পিয়নসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসেন, পরে ওই খাতা জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন