আড়াইশ বছরের প্রাচীন কালীমন্দির কুষ্টিয়ার মিরপুরে
jugantor
আড়াইশ বছরের প্রাচীন কালীমন্দির কুষ্টিয়ার মিরপুরে

  মো. রেজাউল করিম, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:১৭:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুস্টিয়া

কুষ্টিয়ার মিরপুরে প্রায় আড়াইশ’ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক একটি কালীমন্দির রয়েছে। উপজেলা শহরের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে চিথলিয়া ইউপির চিথলিয়া বাজারের পাশে কালীমন্দিরটি অবস্থিত। প্রায় আড়াইশ' বছরের প্রাচীন এ মন্দির সম্পর্কে স্থানীয়দের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই।

সরেজমিন দেখা যায়, কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই কালীমন্দিরটি। মন্দিরের চারপাশে বিশাল আকৃতির একটি বটবৃক্ষ বেষ্টিত। মন্দিরের দেয়াল ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে বটগাছের শেকড়। ক্ষয় গেছে দেয়ালের ইট সুঁড়কি।

জানা যায়, প্রায় আড়াইশ’ বছর আগে ৩১ শতক জমির উপর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য জমিদার সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষেরা কালীমন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় অনেক ধুমধামের সাথে কালীপূজা হলেও পরবর্তীতে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে সেখানে আবার পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

স্থানীয় চিথলিয়া গ্রামের মেম্বার মো. মোমিন জানান, চিথলিয়া বাজারের পাশে অবস্থিত কালীমন্দিরটি আমাদের পূর্বপুরুষের সময় থেকে দেখে আসছি। তবে এ সম্পর্কে আমাদের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই।কালীমন্দির সম্পর্কে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের মিরপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুকেশ রঞ্চন পাল বলেন, প্রায় আড়াইশ’ বছর আগের মন্দির এটি। ওই সময় অনেক ধুমধামের সাথে কালীপূজা অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তীতে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে প্রায় ২০ বছর ধরে চিথলিয়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায় এখানে পূজা করেন। বর্তমানে মন্দিরটিতে বছরে একবার দীপাবলি কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।

আড়াইশ বছরের প্রাচীন কালীমন্দির কুষ্টিয়ার মিরপুরে

 মো. রেজাউল করিম, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুস্টিয়া
প্রায় আড়াইশ' বছরের প্রাচীন এ মন্দির সম্পর্কে স্থানীয়দের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই।

কুষ্টিয়ার মিরপুরে প্রায় আড়াইশ’ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক একটি কালীমন্দির রয়েছে। উপজেলা শহরের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে চিথলিয়া ইউপির চিথলিয়া বাজারের পাশে কালীমন্দিরটি অবস্থিত। প্রায় আড়াইশ' বছরের প্রাচীন এ মন্দির সম্পর্কে স্থানীয়দের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই। 

সরেজমিন দেখা যায়, কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই কালীমন্দিরটি। মন্দিরের চারপাশে বিশাল আকৃতির একটি বটবৃক্ষ বেষ্টিত। মন্দিরের দেয়াল ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে বটগাছের শেকড়। ক্ষয় গেছে দেয়ালের ইট সুঁড়কি। 

জানা যায়, প্রায় আড়াইশ’ বছর আগে ৩১ শতক জমির উপর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য জমিদার সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষেরা কালীমন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় অনেক ধুমধামের সাথে কালীপূজা হলেও পরবর্তীতে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে সেখানে আবার পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

স্থানীয় চিথলিয়া গ্রামের মেম্বার মো. মোমিন জানান, চিথলিয়া বাজারের পাশে অবস্থিত কালীমন্দিরটি আমাদের পূর্বপুরুষের সময় থেকে দেখে আসছি। তবে এ সম্পর্কে আমাদের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই। কালীমন্দির সম্পর্কে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের মিরপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুকেশ রঞ্চন পাল বলেন, প্রায় আড়াইশ’ বছর আগের মন্দির এটি। ওই সময় অনেক ধুমধামের সাথে কালীপূজা অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তীতে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে প্রায় ২০ বছর ধরে চিথলিয়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায় এখানে পূজা করেন। বর্তমানে মন্দিরটিতে বছরে একবার দীপাবলি কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। 
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন