নতুন করে ভাঙনের মুখে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট
jugantor
নতুন করে ভাঙনের মুখে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট

  হেলাল মাহমুদ, রাজবাড়ী প্রতিনিধি  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:২২:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সিদ্দিক কাজীরপাড়ার ২ ও ৩নং ফেরিঘাট এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। ফলে ভাঙনের কারণে হুমকিতে রয়েছে দুইটি ফেরিঘাট। বুধবার দুপুরে ঘাট এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

২নং ফেরিঘাটের ভাঙন এলাকার বাসিন্দা নাজমা বেগম বলেন, আজ ২-৩ দিন ধরে পদ্মার প্রবল স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে ভাঙন শুরু হয়েছে। রাতে ঘুমানোর সময় প্রবল স্রোতের হু-হু করে শব্দ হলে মনে হয় আমার ঘরের সবকিছু পানিতে ভেসে যাবে।

৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা আক্কাছ আলী বলেন, গত দুই দিন যাবত যেভাবে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে আমাদের বাড়িঘর সব নদীতে চলে যাবে। নতুন করে ভাঙন শুরু হলেও এ পর্যন্ত কোনো মেম্বার-চেয়ারম্যান খোঁজ নিতে আসেনি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

স্থানীয় ২নং ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম বলেন, লঞ্চঘাট থেকে ৩নং ফেরিঘাট পর্যন্ত নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ২-৩নং ফেরিঘাট এলাকার প্রায় ৩০০ লোক ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মেরিন আবদুস সাত্তার যুগান্তরকে বলেন, প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। তবে এখন ভাঙন ঠেকানো না গেলে ফেরিঘাট বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

নতুন করে ভাঙনের মুখে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট

 হেলাল মাহমুদ, রাজবাড়ী প্রতিনিধি 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সিদ্দিক কাজীরপাড়ার ২ ও ৩নং ফেরিঘাট এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। ফলে ভাঙনের কারণে হুমকিতে রয়েছে দুইটি ফেরিঘাট। বুধবার দুপুরে ঘাট এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
 
২নং ফেরিঘাটের ভাঙন এলাকার বাসিন্দা নাজমা বেগম বলেন, আজ ২-৩ দিন ধরে পদ্মার প্রবল স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে ভাঙন শুরু হয়েছে। রাতে ঘুমানোর সময় প্রবল স্রোতের হু-হু করে শব্দ হলে মনে হয় আমার ঘরের সবকিছু পানিতে ভেসে যাবে।

৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা আক্কাছ আলী বলেন, গত দুই দিন যাবত যেভাবে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে আমাদের বাড়িঘর সব নদীতে চলে যাবে। নতুন করে ভাঙন শুরু হলেও এ পর্যন্ত কোনো মেম্বার-চেয়ারম্যান খোঁজ নিতে আসেনি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

স্থানীয় ২নং ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম বলেন, লঞ্চঘাট থেকে ৩নং ফেরিঘাট পর্যন্ত নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ২-৩নং ফেরিঘাট এলাকার প্রায় ৩০০ লোক ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মেরিন আবদুস সাত্তার যুগান্তরকে বলেন, প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। তবে এখন ভাঙন ঠেকানো না গেলে ফেরিঘাট বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন