স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে যুবকের ৪৪ বছরের কারাদণ্ড
jugantor
স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে যুবকের ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

  শেরপুর প্রতিনিধি  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:১৮:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ

শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঠাকাটা গ্রামে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের দায়ে রানা মিয়া (২১) নামে এক যুবকের ৪৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করেছেন আদালত। ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে শিশু আদালতের বিচারক মো. আক্তারজ্জামান এ সাজার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত রানা মিয়া নকলা উপজেলার পাঠাকাটা পূর্ব গ্রামের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে। বিচারকাজ চলাকালে জামিন নিয়ে পলাতক থাকায় আসামি রানা মিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচারক এ সাজার রায় ঘোষণা করেন।

শিশু আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায়ে অভিযুক্ত রানা মিয়াকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের দুটি পৃথক ধারায় ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন (৩০ বছরের সাজা) এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং অপহরণের অভিযোগে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণে আদালত সূত্রে জানা যায়, নকলার পাঠাকাটা স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী টালকি গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসীর কন্যাকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করত পাঠাকাটা পূর্ব গ্রামের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে রানা মিয়া। ২০১৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টার দিকে ওই স্কুলছাত্রী স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রানা মিয়া তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় অপহৃতা স্কুলছাত্রীর জ্যাঠা বাদী হয়ে নকলা থানায় একটি অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী ধর্ষক রানা মিয়াকে গ্রেফতার ও অপহৃতা স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নকলা থানা পুলিশ ওই বছরের ২৫ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।মামলার বিচারকাজ চলাকালে আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে অভিযুক্ত রানা মিয়া পালিয়ে যায়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার আদালত অভিযুক্ত রানা মিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অপহরণের অভিযোগে ১৪ বছরের কারাদণ্ডসহ দুটি পৃথক ধারায় ৪৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করেন।

স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে যুবকের ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

 শেরপুর প্রতিনিধি 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ
ধর্ষণের দায়ে রানা মিয়া (২১) নামে এক যুবকের ৪৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঠাকাটা গ্রামে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের দায়ে রানা মিয়া (২১) নামে এক যুবকের ৪৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করেছেন আদালত। ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে শিশু আদালতের বিচারক মো. আক্তারজ্জামান এ সাজার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত রানা মিয়া নকলা উপজেলার পাঠাকাটা পূর্ব গ্রামের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে। বিচারকাজ চলাকালে জামিন নিয়ে পলাতক থাকায় আসামি রানা মিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচারক এ সাজার রায় ঘোষণা করেন। 

শিশু আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায়ে অভিযুক্ত রানা মিয়াকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের দুটি পৃথক ধারায় ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন (৩০ বছরের সাজা) এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং অপহরণের অভিযোগে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণে আদালত সূত্রে জানা যায়, নকলার পাঠাকাটা স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী টালকি গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসীর কন্যাকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করত পাঠাকাটা পূর্ব গ্রামের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে রানা মিয়া। ২০১৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টার দিকে ওই স্কুলছাত্রী স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রানা মিয়া তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় অপহৃতা স্কুলছাত্রীর জ্যাঠা বাদী হয়ে নকলা থানায় একটি অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী ধর্ষক রানা মিয়াকে গ্রেফতার ও অপহৃতা স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নকলা থানা পুলিশ ওই বছরের ২৫ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।মামলার বিচারকাজ চলাকালে আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে অভিযুক্ত রানা মিয়া পালিয়ে যায়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার আদালত অভিযুক্ত রানা মিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অপহরণের অভিযোগে ১৪ বছরের কারাদণ্ডসহ দুটি পৃথক ধারায় ৪৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করেন।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন