সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া শতাধিক পর্যটক ফিরলেন কাঠের ট্রলারে!
jugantor
সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া শতাধিক পর্যটক ফিরলেন কাঠের ট্রলারে!

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২৩:০৫:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া শতাধিক পর্যটক কাঠের ট্রলারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিরে এসেছেন। বুধবার দুপুরে ৪টি কাঠের ট্রলারে তারা টেকনাফের কায়ুকখালী ঘাটে পৌঁছেন। তবে এখনও বেশ কয়েকজন পর্যটক সেখানে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর আহমদ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে পর্যায়ক্রমে ৪টি যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত কাঠের ট্রলারে তারা টেকনাফে ফিরে যান। দুপুরে সবাই নিরাপদে টেকনাফে পৌঁছেন।

ফিরে আসা পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার থেকে কর্ণফুলী একপ্রেস নামে একটি জাহাজে তারা সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যান। ২১ তারিখ তাদের ফিরে আসার কথা থাকলেও সাগরে ৩নং সংকেত জারি হওয়ায় সেদিন থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তারা সেখানে আটকা পড়েন। তবে এ সময় তাদের তেমন কোনো অসুবিধা হয়নি বলে জানান।

বৈরী আবহাওয়া ও বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের ফলে সোমবার থেকে কক্সবাজার উপকূলে ৩নং সতর্ক সংকেত জারি রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে সোমবার থেকে কক্সবাজার-টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে চলাচলকারী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস গত দুইদিন সেন্টমার্টিন রুটে চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া টেকনাফ সেন্টমার্টিন রুটে অন্য কোনো নৌযান চলাচল করেনি। এতে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছিল শতাধিক পর্যটক।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে সোমবার থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েন শতাধিক পর্যটক। আটকাপড়া পর্যটকদের খোঁজখবর রাখতে স্থানীয় পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের বলা হয়েছে।

সেন্টমার্টিনে থেকে যাওয়া পর্যটক মারুফের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, কাঠের ট্রলারে ঝুঁকি মনে করায় তারা ৬ জনের দল ফেরেননি। জাহাজ চালু হলে তারা ফিরবেন বলে জানান। দ্বীপে তেমন অসুবিধা না থাকলেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কিছুটা ভয় ভয় লাগছে বলে জানান তিনি।

সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া শতাধিক পর্যটক ফিরলেন কাঠের ট্রলারে!

 টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া শতাধিক পর্যটক কাঠের ট্রলারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিরে এসেছেন। বুধবার দুপুরে ৪টি কাঠের ট্রলারে তারা টেকনাফের কায়ুকখালী ঘাটে পৌঁছেন। তবে এখনও বেশ কয়েকজন পর্যটক সেখানে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর আহমদ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে পর্যায়ক্রমে ৪টি যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত কাঠের ট্রলারে তারা টেকনাফে ফিরে যান। দুপুরে সবাই নিরাপদে টেকনাফে পৌঁছেন।

ফিরে আসা পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার থেকে কর্ণফুলী একপ্রেস নামে একটি জাহাজে তারা সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যান। ২১ তারিখ তাদের ফিরে আসার কথা থাকলেও সাগরে ৩নং সংকেত জারি হওয়ায় সেদিন থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তারা সেখানে আটকা পড়েন। তবে এ সময় তাদের তেমন কোনো অসুবিধা হয়নি বলে জানান।

বৈরী আবহাওয়া ও বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের ফলে সোমবার থেকে কক্সবাজার উপকূলে ৩নং সতর্ক সংকেত জারি রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে সোমবার থেকে কক্সবাজার-টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে চলাচলকারী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস গত দুইদিন সেন্টমার্টিন রুটে চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া টেকনাফ সেন্টমার্টিন রুটে অন্য কোনো নৌযান চলাচল করেনি। এতে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছিল শতাধিক পর্যটক।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে সোমবার থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েন শতাধিক পর্যটক। আটকাপড়া পর্যটকদের খোঁজখবর রাখতে স্থানীয় পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের বলা হয়েছে।

সেন্টমার্টিনে থেকে যাওয়া পর্যটক মারুফের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, কাঠের ট্রলারে ঝুঁকি মনে করায় তারা ৬ জনের দল ফেরেননি। জাহাজ চালু হলে তারা ফিরবেন বলে জানান। দ্বীপে তেমন অসুবিধা না থাকলেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কিছুটা ভয় ভয় লাগছে বলে জানান তিনি।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন