ভাত নরম হওয়ায় ছোট ভাইকে পিটিয়ে হত্যা!
jugantor
ভাত নরম হওয়ায় ছোট ভাইকে পিটিয়ে হত্যা!

  মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:১৪:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ভাত নরম হওয়ায় বাকবিতণ্ডায় ছোট ভাই আলমগীর হোসেন (১৫) কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আলমগীর হোসেন ও ঘাতক বড় ভাই সাখাওয়াৎ হোসেন উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের লিয়াকত হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় সাখাওয়াৎকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

এলাকাবাসী জানায়, বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় বুধবার দুপুরে ছোট ভাইকে রান্না করতে বলে সাখাওয়াৎ। রান্নায় ভাতে পানি হয়ে নরম হয়ে যায় এবং লবণ বেশি হয়। এতে বড় ভাই সাখাওয়াৎ রেগে যায়। সে ছোট ভাইয়ের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে ছোট ভাই যা আছে তাই খেতে বলে। অন্যথায় রান্না করে খেতে বলে।

এরপর বড় ভাই প্রচণ্ড রেগে গিয়ে লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। ছোট ভাইয়ের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে বড় ভাই পালিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় আলমগীরকে প্রথমে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ফরিদপুর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। সেখানেই তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।

মহম্মদপুর থানার ওসি তারক বিশ্বাস জানান, এ ঘটনায় ঘাতক সাখাওয়াৎকে আটক করা হয়েছে।

ভাত নরম হওয়ায় ছোট ভাইকে পিটিয়ে হত্যা!

 মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি  
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ভাত নরম হওয়ায় বাকবিতণ্ডায় ছোট ভাই আলমগীর হোসেন (১৫) কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  তার মৃত্যু হয়।

নিহত আলমগীর হোসেন ও ঘাতক বড় ভাই সাখাওয়াৎ হোসেন উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের লিয়াকত হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় সাখাওয়াৎকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। 

এলাকাবাসী জানায়, বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় বুধবার দুপুরে ছোট ভাইকে রান্না করতে বলে সাখাওয়াৎ। রান্নায় ভাতে পানি হয়ে নরম হয়ে যায় এবং লবণ বেশি হয়। এতে বড় ভাই সাখাওয়াৎ রেগে যায়। সে ছোট ভাইয়ের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে ছোট ভাই যা আছে তাই খেতে বলে। অন্যথায় রান্না করে খেতে বলে। 

এরপর বড় ভাই প্রচণ্ড রেগে গিয়ে লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। ছোট ভাইয়ের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে বড় ভাই পালিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় আলমগীরকে প্রথমে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ফরিদপুর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। সেখানেই তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়। 

মহম্মদপুর থানার ওসি তারক বিশ্বাস জানান, এ ঘটনায় ঘাতক সাখাওয়াৎকে আটক করা হয়েছে।  

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন