জামালগঞ্জে চতুর্থবারের বন্যায় ৪ হাজার হেক্টর আমন পানির নিচে
jugantor
জামালগঞ্জে চতুর্থবারের বন্যায় ৪ হাজার হেক্টর আমন পানির নিচে

  জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৩২:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

জামালগঞ্জ

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে দুর্ভাগ্য যেন আমন চাষীদের পিছু ছাড়ছে না। চলতি বছরে তিন দফা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আবারও পাহাড়ি ঢলের পানিতে রোপা আমন জমি ও রবিশস্য তলিয়ে যাওয়ায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জামালগঞ্জের চাষীরা। ঢলের পানি কমলে কীভাবে সার, বীজ, কীটনাশক কিনবেন এ চিন্তাও পিছু ছাড়ছে না তাদের।

চলতি বছর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ৩ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে। রবিশস্য চাষাবাদ করা হয়েছে ১ হাজার হেক্টরের মতো জমিতে।

টানা কয়েকদিন মেঘালয়ে মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে যাদুকাটা নদী দিয়ে পাহাড়ি ঢল নেমে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ছোটখাটো হাওড়ের রোপা আমন ও রবিশস্য তলিয়ে গেছে। উপজেলার উত্তর, ফেনারবাক, সাচনাবাজার, ভীমখালী ও সদর ইউনিয়নের এলাকার একাধিক কৃষক তাদের দুর্দশার কথা জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সালাউদ্দিন টিপু যুগান্তরকে বলেন, অবিরাম বৃষ্টিতে ঢলের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা সৃষ্টি হয়ে ইতিমধ্যে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমির সদ্য রোপণকৃত ফসল পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এতে কৃষকরা আবারও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

জামালগঞ্জে চতুর্থবারের বন্যায় ৪ হাজার হেক্টর আমন পানির নিচে

 জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জামালগঞ্জ
পাহাড়ি ঢলের পানিতে রোপা আমন জমি ও রবিশস্য তলিয়ে যাওয়ায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জামালগঞ্জের চাষীরা।

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে দুর্ভাগ্য যেন আমন চাষীদের পিছু ছাড়ছে না। চলতি বছরে তিন দফা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আবারও পাহাড়ি ঢলের পানিতে রোপা আমন জমি ও রবিশস্য তলিয়ে যাওয়ায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জামালগঞ্জের চাষীরা। ঢলের পানি কমলে কীভাবে সার, বীজ, কীটনাশক কিনবেন এ চিন্তাও পিছু ছাড়ছে না তাদের।

চলতি বছর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ৩ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে। রবিশস্য চাষাবাদ করা হয়েছে ১ হাজার হেক্টরের মতো জমিতে।

টানা কয়েকদিন মেঘালয়ে মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে যাদুকাটা নদী দিয়ে পাহাড়ি ঢল নেমে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ছোটখাটো হাওড়ের রোপা আমন ও রবিশস্য তলিয়ে গেছে। উপজেলার উত্তর, ফেনারবাক, সাচনাবাজার, ভীমখালী ও সদর ইউনিয়নের এলাকার একাধিক কৃষক তাদের দুর্দশার কথা জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সালাউদ্দিন টিপু যুগান্তরকে বলেন, অবিরাম বৃষ্টিতে ঢলের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা সৃষ্টি হয়ে ইতিমধ্যে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমির সদ্য রোপণকৃত ফসল পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এতে কৃষকরা আবারও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন