শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি: জাহিদ ফারুক
jugantor
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি: জাহিদ ফারুক

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:১৯:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, বিগত ১০ বছর পূর্বেও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। এখন সরকারের টাকার কোনো সমস্যা নেই। রাতারাতি নদী ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব নয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে টেকনিক্যাল কমিটিসহ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে সময় প্রয়োজন হয়। তিনি কুড়িগ্রামবাসীকে ধৈর্য ধরতে বলেন।

শুক্রবার বিকালে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামে চলমান ৫ দফা বন্যা পরিস্থিতি ও ধরলা, ব্রহ্মপুত্র এবং তিস্তা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের বন্যার সমস্যা অতীতেও ছিল এখনও আছে ভবিষ্যতেও থাকবে। উজানে যখন বৃষ্টি হয় তখন পানি এ অঞ্চল দিয়ে নেমে বঙ্গোপসাগরে যায়। ভাটির দেশ হিসেবে সব সময় এটা আমাদেরকে ফেস করতে হয়।

নদী ভাঙ্গন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বন্যার পানির কারণে নদী ভাঙ্গনসহ যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এছাড়াও নদী ড্রেজিংয়ের বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এসব বাস্তবায়ন করতে পারলে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের ক্ষতি থেকে গ্রামবাসী রক্ষা পাবে।

তিস্তায় চীনের প্রস্তাবিত প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২১টি প্রকল্প নিয়ে ডোনার কান্ট্রির সঙ্গে কথা বলেছি। এর মধ্যে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীন আগ্রহ দেখিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নদ-নদী ভাঙ্গন রোধে ড্রেজিংসহ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদী ভাঙ্গন এলাকায় আমাদের প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং প্রস্তাবিত প্রকল্প আছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা তিনটি চলমান এবং ৭১৪ কোটি ও ৩৮৩ কোটি টাকার আরও দুটি প্রকল্প রয়েছে। কুড়িগ্রাম-গাইবান্ধায় বন্যার পানি নেমে এসে যে ক্ষতি করছে এটাকে রক্ষা করতে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। নদী ড্রেজিংয়ের বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন চলছে এগুলো শেষ হলে মানুষ রক্ষা পাবে এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা এবং সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়ের বন্যা কবলিতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। পরে তিনি মোগলবাসা, চিলমারী রমনা এবং উলিপুর উপজেলার অনন্তপুর, গুনাইগাছ টি বাঁধের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আসলাম সওদাগর, অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম, পাউবো মহাপরিচালক এএম আমিনুল হক, প্রধান প্রকৌশলী উত্তরাঞ্চল জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রংপুর পওর সার্কেল আবদুস শহীদ, জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি: জাহিদ ফারুক

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, বিগত ১০ বছর পূর্বেও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। এখন সরকারের টাকার কোনো সমস্যা নেই। রাতারাতি নদী ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব নয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে টেকনিক্যাল কমিটিসহ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে সময় প্রয়োজন হয়। তিনি কুড়িগ্রামবাসীকে ধৈর্য ধরতে বলেন।

শুক্রবার বিকালে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে কুড়িগ্রামে চলমান ৫ দফা বন্যা পরিস্থিতি ও ধরলা, ব্রহ্মপুত্র এবং তিস্তা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের বন্যার সমস্যা অতীতেও ছিল এখনও আছে ভবিষ্যতেও থাকবে। উজানে যখন বৃষ্টি হয় তখন পানি এ অঞ্চল দিয়ে নেমে বঙ্গোপসাগরে যায়। ভাটির দেশ হিসেবে সব সময় এটা আমাদেরকে ফেস করতে হয়।

নদী ভাঙ্গন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বন্যার পানির কারণে নদী ভাঙ্গনসহ যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এছাড়াও নদী ড্রেজিংয়ের বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এসব বাস্তবায়ন করতে পারলে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের ক্ষতি থেকে গ্রামবাসী রক্ষা পাবে।

তিস্তায় চীনের প্রস্তাবিত প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২১টি প্রকল্প নিয়ে ডোনার কান্ট্রির সঙ্গে কথা বলেছি। এর মধ্যে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীন আগ্রহ দেখিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নদ-নদী ভাঙ্গন রোধে ড্রেজিংসহ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদী ভাঙ্গন এলাকায় আমাদের প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং প্রস্তাবিত প্রকল্প আছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা তিনটি চলমান এবং ৭১৪ কোটি ও ৩৮৩ কোটি টাকার আরও দুটি প্রকল্প রয়েছে। কুড়িগ্রাম-গাইবান্ধায় বন্যার পানি নেমে এসে যে ক্ষতি করছে এটাকে রক্ষা করতে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। নদী ড্রেজিংয়ের বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন চলছে এগুলো শেষ হলে মানুষ রক্ষা পাবে এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা এবং সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়ের বন্যা কবলিতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। পরে তিনি মোগলবাসা, চিলমারী রমনা এবং উলিপুর উপজেলার অনন্তপুর, গুনাইগাছ টি বাঁধের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আসলাম সওদাগর, অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম, পাউবো মহাপরিচালক এএম আমিনুল হক, প্রধান প্রকৌশলী উত্তরাঞ্চল জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রংপুর পওর সার্কেল আবদুস শহীদ, জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন