এমসি কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণে ছাত্রলীগের ৬ নেতা জড়িত
jugantor
এমসি কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণে ছাত্রলীগের ৬ নেতা জড়িত

  সিলেট ব্যুরো  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৪:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

বাঁ থেকে- অর্জুন, সাইফুর, তারেক, রবিউল, রনি ও মাছুম। ছবি-যুগান্তর

সিলেটের এমসি কলেজ হোস্টেলে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

ভিকটিমের স্বামীর দেয়া তথ্যমতে ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫) , সাইফুর রহমান (২৮),রবিউল ইসলাম (২৫)এবং বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মীঅর্জুন লস্কর(২৫), ও তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ।

তাদের মধ্যে সাইফুরেরবাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের দিরাইয়ে, মাছুমের কানাইঘাটে, অর্জুনের জকিগঞ্জে, রনির হবিগঞ্জেএবং তারেকের বাড়িসুনামগঞ্জে।

এ রিপোর্ট লেখার সময় শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তাদের কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তাদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন শাহপরান থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী।

এদিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণের ঘটনায় যে ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছ তাদের মধ্যে সাইফুর রহমান নামে একজনের কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোর রাতে ওই ছাত্রাবাসে সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করে বলে ওসি কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, রাতে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত গতকাল শুক্রবার সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটির ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ওই তরুণীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে ‍পুলিশ জানিয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, ওই নববধূ তার স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে ঘুরতে আসেন। এক পর্যায়ে তার স্বামী সিগারেট খাওয়ার জন্য কলেজের গেইটের বাইরে বের হন। এসময় ৬/৭ জন যুবক তরুণীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নিয়ে এমসি কলেজ ছাত্রাবাস এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

এসময় তার স্বামী প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয় বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই তরুণীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

এমসি কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণে ছাত্রলীগের ৬ নেতা জড়িত

 সিলেট ব্যুরো 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাঁ থেকে- অর্জুন, সাইফুর, তারেক, রবিউল, রনি ও মাছুম। ছবি-যুগান্তর
বাঁ থেকে- অর্জুন, সাইফুর, তারেক, রবিউল, রনি ও মাছুম। ছবি-যুগান্তর

সিলেটের এমসি কলেজ হোস্টেলে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। 

ভিকটিমের স্বামীর দেয়া তথ্যমতে ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

অভিযুক্তরা হলেন-  এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫) , সাইফুর রহমান (২৮), রবিউল ইসলাম (২৫) এবং বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী অর্জুন লস্কর (২৫), ও তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ।

তাদের মধ্যে সাইফুরের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের দিরাইয়ে, মাছুমের কানাইঘাটে, অর্জুনের জকিগঞ্জে, রনির হবিগঞ্জে এবং তারেকের বাড়ি সুনামগঞ্জে।

এ রিপোর্ট লেখার সময় শনিবার সকাল  সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তাদের কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তাদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন শাহপরান থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী।

এদিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণের ঘটনায় যে ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছ তাদের মধ্যে সাইফুর রহমান নামে একজনের কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোর রাতে ওই ছাত্রাবাসে সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করে বলে ওসি কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, রাতে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। 

প্রসঙ্গত গতকাল শুক্রবার সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী। 

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটির ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ওই তরুণীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে ‍পুলিশ জানিয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, ওই নববধূ তার স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে ঘুরতে আসেন। এক পর্যায়ে তার স্বামী সিগারেট খাওয়ার জন্য কলেজের গেইটের বাইরে বের হন। এসময় ৬/৭ জন যুবক তরুণীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নিয়ে এমসি কলেজ ছাত্রাবাস এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

এসময় তার স্বামী প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয় বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই তরুণীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন