সিদ্ধিরগঞ্জে জিম্মি ছয় পরিবার ১৪ ঘণ্টা পর মুক্ত
jugantor
সিদ্ধিরগঞ্জে জিম্মি ছয় পরিবার ১৪ ঘণ্টা পর মুক্ত

  সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০৬:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সিদ্ধিরগঞ্জে জিম্মি ছয় পরিবারকে ১৪ ঘণ্টা পর মুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তালা ভেঙে জিম্মিদশা থেকে তাদের মুক্ত করা হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক হাজী বসির উদ্দিন মার্কেট এলাকার হাজী আবদুল জব্বার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছয় পরিবারকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত তালা দিয়ে জিম্মি করা হয়। রাত ১২টার দিকে তালা ভেঙে পরিবারগুলোকে মুক্ত করে পুলিশ।

এদিকে, শুক্রবারও সন্ত্রাসীদের হুমকি ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটিয়েছে পরিবারগুলো। বাড়ির মালিক হাজী আবদুুল জব্বারের ছেলে নজরুল ইসলাম রনি জানান, ভয়ে তারা জুমার নামাজ পড়তে মসজিদে যেতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে হাজী আবদুল জব্বারের মেয়ে ঝর্ণা আক্তার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ দায়েরের কথা স্বীকার করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইশতিয়াক রাসেল বলেন, আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করছি।

জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক বসির উদ্দিন মার্কেট এলাকার বাসিন্দা হাজী আবদুল জব্বার একই এলাকায় আরেকটি বাড়ি কিনে ১৬টি পরিবারের কাছে ভাড়া দেন। ওই বাড়িটি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাজী সালাহউদ্দিনের ছেলে মাসুম রানাও কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাড়িটি কিনতে না পেরে তিনি হাজী জব্বার ও তার পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ হন।

ভাড়াটিয়াদেরও বাড়ি ছেড়ে যেতে মাসুম হুমকি দেন। মাসুমের বাহিনীর হুমকিতে ১১টি ভাড়াটিয়া পরিবার চলতি মাসে বাড়িটি ছেড়ে চলে যায়। বাকি ছয়টি পরিবারকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত তালা দিয়ে জিম্মি করে রাখে মাসুম।

খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১২টায় তালা ভেঙে পরিবারগুলোকে মুক্ত করে। হাজী জব্বারের ছেলে রনি জানান, ২০ সেপ্টেম্বর মাসুম কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বাড়ির ভাড়াটিয়াদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।

৯৯৯-এ কল করে অবহিত করা হলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ফরিদ উদ্দিন তাদের মুক্ত করেন। ২১ সেপ্টেম্বর মাসুমের চাচা হাবিব সালিশে জানান, বাড়ির ওয়ারিশ কিনেছেন মাসুম। তাই তাকে ১৫ লাখ টাকা দিতে হবে। কিন্তু জমি কেনার কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি মাসুম। ভাড়াটিয়াদের তাড়িয়ে মাসুম বাড়িটি দখল করতে চাইছে।

সিদ্ধিরগঞ্জে জিম্মি ছয় পরিবার ১৪ ঘণ্টা পর মুক্ত

 সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিদ্ধিরগঞ্জে জিম্মি ছয় পরিবারকে ১৪ ঘণ্টা পর মুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তালা ভেঙে জিম্মিদশা থেকে তাদের মুক্ত করা হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক হাজী বসির উদ্দিন মার্কেট এলাকার হাজী আবদুল জব্বার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছয় পরিবারকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত তালা দিয়ে জিম্মি করা হয়। রাত ১২টার দিকে তালা ভেঙে পরিবারগুলোকে মুক্ত করে পুলিশ।

এদিকে, শুক্রবারও সন্ত্রাসীদের হুমকি ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটিয়েছে পরিবারগুলো। বাড়ির মালিক হাজী আবদুুল জব্বারের ছেলে নজরুল ইসলাম রনি জানান, ভয়ে তারা জুমার নামাজ পড়তে মসজিদে যেতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে হাজী আবদুল জব্বারের মেয়ে ঝর্ণা আক্তার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ দায়েরের কথা স্বীকার করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইশতিয়াক রাসেল বলেন, আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করছি।

জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক বসির উদ্দিন মার্কেট এলাকার বাসিন্দা হাজী আবদুল জব্বার একই এলাকায় আরেকটি বাড়ি কিনে ১৬টি পরিবারের কাছে ভাড়া দেন। ওই বাড়িটি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাজী সালাহউদ্দিনের ছেলে মাসুম রানাও কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাড়িটি কিনতে না পেরে তিনি হাজী জব্বার ও তার পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ হন।

ভাড়াটিয়াদেরও বাড়ি ছেড়ে যেতে মাসুম হুমকি দেন। মাসুমের বাহিনীর হুমকিতে ১১টি ভাড়াটিয়া পরিবার চলতি মাসে বাড়িটি ছেড়ে চলে যায়। বাকি ছয়টি পরিবারকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত তালা দিয়ে জিম্মি করে রাখে মাসুম।

খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১২টায় তালা ভেঙে পরিবারগুলোকে মুক্ত করে। হাজী জব্বারের ছেলে রনি জানান, ২০ সেপ্টেম্বর মাসুম কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বাড়ির ভাড়াটিয়াদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।

৯৯৯-এ কল করে অবহিত করা হলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ফরিদ উদ্দিন তাদের মুক্ত করেন। ২১ সেপ্টেম্বর মাসুমের চাচা হাবিব সালিশে জানান, বাড়ির ওয়ারিশ কিনেছেন মাসুম। তাই তাকে ১৫ লাখ টাকা দিতে হবে। কিন্তু জমি কেনার কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি মাসুম। ভাড়াটিয়াদের তাড়িয়ে মাসুম বাড়িটি দখল করতে চাইছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন