ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের দখলে হোস্টেল সুপারের বাংলো!
jugantor
এমসি কলেজে তরুণীকে গণধর্ষণ
ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের দখলে হোস্টেল সুপারের বাংলো!

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:০৭:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সাইফুর রহমান ও তার কক্ষ থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র। ছবি-যুগান্তর

সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে হোস্টেল সুপারের বাংলো দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষণকাণ্ডের পর গতকাল শুক্রবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমনটা জানতে পেরেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এমসি কলেজ হোস্টেল সুপারের বাংলোতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন আসামি সাইফুর রহমান। তার দখলে থাকা ওই বাংলো থেকেই পাইপগানসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলাও হয়েছে।

শাহপরান থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী যুগান্তরকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে হোস্টেল সুপারের বাংলোটি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের দখলে রয়েছে।

ওই বাংলোতে তার ব্যবহৃত কক্ষ থেকেই একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছে বলে জানান ওসি।

গতকাল শুক্রবার সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটির ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ওই তরুণীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে ‍পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহ পরান থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী ও অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), সাইফুর রহমান (২৮), রবিউল ইসলাম (২৫), অর্জুন লস্কর (২৫) ও তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ।

এর মধ্যে রবিউল ও তারেক (২৮) বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী বলে জানা গেছে।

আসামিদের মধ্যে সাইফুরেরবাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের দিরাইয়ে, মাছুমের কানাইঘাটে, অর্জুনের জকিগঞ্জে, রনির হবিগঞ্জেএবং তারেকের বাড়িসুনামগঞ্জে।

এমসি কলেজে তরুণীকে গণধর্ষণ

ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের দখলে হোস্টেল সুপারের বাংলো!

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাইফুর রহমান ও তার কক্ষ থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র। ছবি-যুগান্তর
সাইফুর রহমান ও তার কক্ষ থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র। ছবি-যুগান্তর

সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে হোস্টেল সুপারের বাংলো দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

ধর্ষণকাণ্ডের পর গতকাল শুক্রবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমনটা জানতে পেরেছে। 

পুলিশ জানিয়েছে, এমসি কলেজ হোস্টেল সুপারের বাংলোতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন আসামি সাইফুর রহমান। তার দখলে থাকা ওই বাংলো থেকেই পাইপগানসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলাও হয়েছে। 

শাহপরান থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী যুগান্তরকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে হোস্টেল সুপারের বাংলোটি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের দখলে রয়েছে।

ওই বাংলোতে তার ব্যবহৃত কক্ষ থেকেই একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। 

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছে বলে জানান ওসি। 

গতকাল শুক্রবার সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটির ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ওই তরুণীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে ‍পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহ পরান থানায় একটি মামলা করেছেন। 

মামলায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী ও অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। 

মামলার আসামিরা হলেন- এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), সাইফুর রহমান (২৮), রবিউল ইসলাম (২৫), অর্জুন লস্কর (২৫) ও তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ।

এর মধ্যে রবিউল ও তারেক (২৮) বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী বলে জানা গেছে। 

আসামিদের মধ্যে সাইফুরের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের দিরাইয়ে, মাছুমের কানাইঘাটে, অর্জুনের জকিগঞ্জে, রনির হবিগঞ্জে এবং তারেকের বাড়ি সুনামগঞ্জে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সিলেট এমসি কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণ

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন