সুলতানের নৌকার নিচে আশ্রয় নিলেন বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া বৃদ্ধা
jugantor
সুলতানের নৌকার নিচে আশ্রয় নিলেন বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া বৃদ্ধা

  নড়াইল প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৫৫:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

মা

নড়াইলে এক বৃদ্ধা মাকে দেড় বছর আগে বের করে দিয়েছে তারই জন্মদাতা ছেলে। বৃদ্ধা মা বর্তমানেবিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ঘাটের ওপর রাখা নৌকার নিচে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

মানবিক কারণে স্থানীয়রা তাকে খাবার সরবরাহ করে আসছিলেন। জেলা প্রশাসক শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। অপরদিকে মায়া রাণী সুস্থ হওয়ার পর জেলা প্রশাসক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

নড়াইল শহরের কুড়িগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মৃত কালিপদ কুণ্ডুর স্ত্রী মায়া রাণী কুন্ডুর (৮৫) দু’টি ছেলে রয়েছে। তারা হলেন- দেব কুন্ডু (৫০) এবং উত্তম কুন্ডু (৪০)। উত্তম বিবাহ করে অন্যত্র বসবাস করেন। মায়া রাণী কুন্ডুকে দেখাশোনা করছিলেন দেব কুন্ডু। মায়া রাণীর পাঁচ শতকের এক খণ্ড জমি ছিল, যা বিক্রি করে সব টাকা নিয়ে যায় দেব কুন্ডু। এরপর খেতে-পরতে এবং ঘরে থাকতে দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে বৃদ্ধা মায়া রাণী কুন্ডকে ছেলে দেব কুন্ডু বাড়ি থেকে বের করে দেন।

এ বিষয় বৃদ্ধা মায়া রাণী কুন্ডু কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন,‘ জমি বিক্রি করে নেয়ার পর দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ছেলে দেব ও ছেলের বৌ আমাকে খেতে পরতে ও থাকতে দেয় না। এখন আর কোথায়ও যাওয়ার জায়গা নেই। তাই এসএস সুলতানের নৌকার নিচে আশ্রয় নিয়েছি।

এ ব্যাপারে মায়া রাণীর ছেলে দেব কুন্ডু বলেন,বৌ-এর সঙ্গে বনিবনা না হলে আমি কি করব?

এ বিষয় জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা শনিবার দুপুরে যুগান্তরকে বলেন, ‘মায়া রাণীকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছি। তিনি সুস্থ হলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সুলতানের নৌকার নিচে আশ্রয় নিলেন বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া বৃদ্ধা

 নড়াইল প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মা
বৃদ্ধা মা বর্তমানে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ঘাটের ওপর রাখা নৌকার নিচে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

নড়াইলে এক বৃদ্ধা মাকে দেড় বছর আগে বের করে দিয়েছে তারই জন্মদাতা ছেলে। বৃদ্ধা মা বর্তমানে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ঘাটের ওপর রাখা নৌকার নিচে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

মানবিক কারণে স্থানীয়রা তাকে খাবার সরবরাহ করে আসছিলেন। জেলা প্রশাসক শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। অপরদিকে মায়া রাণী সুস্থ হওয়ার পর জেলা প্রশাসক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

নড়াইল শহরের কুড়িগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মৃত কালিপদ কুণ্ডুর স্ত্রী মায়া রাণী কুন্ডুর (৮৫) দু’টি ছেলে রয়েছে। তারা হলেন- দেব কুন্ডু (৫০) এবং উত্তম কুন্ডু (৪০)। উত্তম বিবাহ করে অন্যত্র বসবাস করেন। মায়া রাণী কুন্ডুকে দেখাশোনা করছিলেন দেব কুন্ডু। মায়া রাণীর পাঁচ শতকের এক খণ্ড জমি ছিল, যা বিক্রি করে সব টাকা নিয়ে যায় দেব কুন্ডু। এরপর খেতে-পরতে এবং ঘরে থাকতে দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে বৃদ্ধা মায়া রাণী কুন্ডকে ছেলে দেব কুন্ডু বাড়ি থেকে বের করে দেন।

এ বিষয় বৃদ্ধা মায়া রাণী কুন্ডু কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন,‘ জমি বিক্রি করে নেয়ার পর দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ছেলে দেব ও ছেলের বৌ আমাকে খেতে পরতে ও থাকতে দেয় না। এখন আর কোথায়ও যাওয়ার জায়গা নেই। তাই এসএস সুলতানের নৌকার নিচে আশ্রয় নিয়েছি।

এ ব্যাপারে মায়া রাণীর ছেলে দেব কুন্ডু বলেন,বৌ-এর সঙ্গে বনিবনা না হলে আমি কি করব?

এ বিষয় জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা শনিবার দুপুরে যুগান্তরকে বলেন, ‘মায়া রাণীকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছি। তিনি সুস্থ হলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন