চাকরিতে যোগদানের একদিন আগেই চলে গেলেন রাহাত
jugantor
চাকরিতে যোগদানের একদিন আগেই চলে গেলেন রাহাত

  বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৪২:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

রোববার পটুয়াখালী পায়রা পোর্টে চাকরিতে যোগদান করার কথা ছিল রাহাতের। চাকরিতে যোগদানের আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তার। গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হয়ে রাহাত খানের (২৫) মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১০ টার দিকে বাউফল-বগা সড়কের হিরু মিয়ার পুল এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। রাত আড়াইটার দিকে আহত রাহাত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

রাহাতের বাড়ি পটুয়াখালী পৌরসভার কলেরপুকুর পাড় এলাকায়। তার বাবার নাম মো. নান্নু খান। রাহাতের বাবা-মা নেই। একমাত্র বোনকে নিয়েই পটুয়াখালীর বাসায় বসবাস করতেন। সম্প্রতি রাহাত বাউফল পৌরসভার মামা ওহাব মিয়ার বাড়ি বেড়াতে আসেন।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পায়রা পোর্টে রাহাতের চাকরি হয়েছে। রোববার তার প্রথম যোগদানের কথা ছিল। প্রস্তুতিও নেয়া শেষ। মামা বাড়ি থেকে ফিরে তার চাকরিতে যোগদান করার কথা ছিল। শুক্রবার রাতে একটি মোটরসাইকেলে করে রাহাত ও তার মামাতো ভাই টিপু বগা এলাকার একটি মাছের ঘেরে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করতে যাচ্ছিলেন।

রাহাত ওই মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। রাত সোয়া ১০টার দিকে হিরু মিয়ার পুল এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ওই সময় রাহাত ও টিপু গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় লোকজন তাদের দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে রাত আড়াইটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাহাত মারা যান।

বাউফল সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চাকরিতে যোগদানের একদিন আগেই চলে গেলেন রাহাত

 বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রোববার পটুয়াখালী পায়রা পোর্টে চাকরিতে যোগদান করার কথা ছিল রাহাতের। চাকরিতে যোগদানের আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তার। গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হয়ে রাহাত খানের (২৫) মৃত্যু হয়েছে। 

শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১০ টার দিকে বাউফল-বগা সড়কের হিরু মিয়ার পুল এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। রাত আড়াইটার দিকে আহত রাহাত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

রাহাতের বাড়ি পটুয়াখালী পৌরসভার কলেরপুকুর পাড় এলাকায়। তার বাবার নাম মো. নান্নু খান। রাহাতের বাবা-মা নেই। একমাত্র বোনকে নিয়েই পটুয়াখালীর বাসায় বসবাস করতেন। সম্প্রতি রাহাত বাউফল পৌরসভার মামা ওহাব মিয়ার বাড়ি বেড়াতে আসেন। 

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পায়রা পোর্টে রাহাতের চাকরি হয়েছে। রোববার তার প্রথম যোগদানের কথা ছিল। প্রস্তুতিও নেয়া শেষ। মামা বাড়ি থেকে ফিরে তার চাকরিতে যোগদান করার কথা ছিল। শুক্রবার রাতে একটি মোটরসাইকেলে করে রাহাত ও তার মামাতো ভাই টিপু বগা এলাকার একটি মাছের ঘেরে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করতে যাচ্ছিলেন। 

রাহাত ওই মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। রাত সোয়া ১০টার দিকে হিরু মিয়ার পুল এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ওই সময় রাহাত ও টিপু গুরুতর আহত হন। 

স্থানীয় লোকজন তাদের দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে রাত আড়াইটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাহাত মারা যান। 

বাউফল সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন