গাইবান্ধায় ডোবা থেকে নিখোঁজ ২ শিশুর লাশ উদ্ধার
jugantor
গাইবান্ধায় ডোবা থেকে নিখোঁজ ২ শিশুর লাশ উদ্ধার

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৫৬:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ডোবা থেকে আব্দুল্যাহ আল মামুন শিমুল (৭) ও ছামিউল ইসলাম সীমান্ত (৮) নামে নিখোঁজ দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ গ্রামের আনন্দ বাজার এলাকায় একটি ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে স্বজনরা।

আব্দুল্যাহ আল মামুন শিমুল ওই গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে ও ছামিউল ইসলাম সিমান্ত এই গ্রামের মমিনুল ইসলামের ছেলে। শিমুল ও সিমান্ত আপন চাচাতো জেঠাতো ভাই। নিখোঁজ হওয়ার ১২ ঘণ্টা পর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায় গত শুক্রবার রাত ১০টায় স্বজনরা ডোবা থেকে লাশ দুইটি উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টায় খেলার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় তাদেরকে খুঁজতে শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। পরে ডোবা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক শফিকুজ্জামান সরকার জানান, শিশুটি অসাবধানবশত পানিতে ডুবে মারা গেছে না অন্য কোনো কারণে মারা গেছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সন্দেহজনক হওয়ায় লাশ দুটি ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গাইবান্ধায় ডোবা থেকে নিখোঁজ ২ শিশুর লাশ উদ্ধার

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ডোবা থেকে আব্দুল্যাহ আল মামুন শিমুল (৭) ও ছামিউল ইসলাম সীমান্ত (৮) নামে নিখোঁজ দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ গ্রামের আনন্দ বাজার এলাকায় একটি ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে স্বজনরা।  

আব্দুল্যাহ আল মামুন শিমুল ওই গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে ও ছামিউল ইসলাম সিমান্ত এই গ্রামের মমিনুল ইসলামের ছেলে। শিমুল ও সিমান্ত আপন চাচাতো জেঠাতো ভাই। নিখোঁজ হওয়ার ১২ ঘণ্টা পর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায় গত শুক্রবার রাত ১০টায় স্বজনরা ডোবা থেকে লাশ দুইটি উদ্ধার করে।  

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টায় খেলার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় তাদেরকে খুঁজতে শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। পরে ডোবা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক শফিকুজ্জামান সরকার জানান, শিশুটি অসাবধানবশত পানিতে ডুবে মারা গেছে না অন্য কোনো কারণে মারা গেছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সন্দেহজনক হওয়ায় লাশ দুটি ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন