কুড়িগ্রামে রেকর্ড বৃষ্টিপাত, ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি
jugantor
কুড়িগ্রামে রেকর্ড বৃষ্টিপাত, ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:১৭:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামে ৫ম দফা বন্যায় আমন ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে নতুন করে আরো ২৫টি চর প্লাবিত হয়েছে। এতে ১২০টি চরের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে; যা এ বছরে সর্বোচ্চ। ধরলা নদীর পানি অপরিবর্তিত থাকলেও বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়াও ব্রহ্মপূত্র, তিস্তা, দুধকুমরসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন। জেলার ৯টি উপজেলার ৬৭টি উন্মুক্ত পয়েন্টে ভাঙন তীব্র রূপধারণ করেছে।

বন্যায় ঘরবাড়ি, আবাদি জমি, ল্যাট্রিন, নলকূপ পানিতে তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সমস্যা। বন্যায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। লোকজন গবাদিপশু নিয়ে আবার বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মো. শামসুজ্জামান মিয়া জানান, পঞ্চম দফা বন্যায় ১৬ হাজার ৭৭৯ হেক্টর ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে রোপা আমন ১৫ হাজার ৬৯৭ হেক্টর, মাসকালাই ৬৫৪ হেক্টর, শাকসবজি ৩৫০ হেক্টর এবং চিনা বাদাম ৮০ হেক্টর।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক সুবল চন্দ্র সরকার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে; যা রেকর্ডে এ বছরের সর্বোচ্চ। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত প্রবহমান থাকবে বলে তিনি জানান।

কুড়িগ্রামে রেকর্ড বৃষ্টিপাত, ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামে ৫ম দফা বন্যায় আমন ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে নতুন করে আরো ২৫টি চর প্লাবিত হয়েছে। এতে ১২০টি চরের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে; যা এ বছরে সর্বোচ্চ। ধরলা নদীর পানি অপরিবর্তিত থাকলেও বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়াও ব্রহ্মপূত্র, তিস্তা, দুধকুমরসহ  ১৬টি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন। জেলার ৯টি উপজেলার ৬৭টি উন্মুক্ত পয়েন্টে ভাঙন তীব্র রূপধারণ করেছে।

বন্যায় ঘরবাড়ি, আবাদি জমি, ল্যাট্রিন, নলকূপ পানিতে তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সমস্যা। বন্যায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। লোকজন গবাদিপশু নিয়ে আবার বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত  উপ-পরিচালক মো. শামসুজ্জামান মিয়া জানান, পঞ্চম দফা বন্যায় ১৬ হাজার ৭৭৯ হেক্টর ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে রোপা আমন ১৫ হাজার ৬৯৭ হেক্টর, মাসকালাই ৬৫৪ হেক্টর, শাকসবজি ৩৫০ হেক্টর এবং চিনা বাদাম ৮০ হেক্টর।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক সুবল চন্দ্র সরকার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে; যা রেকর্ডে এ বছরের সর্বোচ্চ। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত প্রবহমান থাকবে বলে তিনি জানান।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন