মানি লন্ডারিং মামলায় জজ আদালতের নাজিরের বিরুদ্ধে পরোয়ানা
jugantor
মানি লন্ডারিং মামলায় জজ আদালতের নাজিরের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩১:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সাত কোটি ১৭ লাখ টাকার অংশ সম্পদ অর্জন করে দখলে রাখা ও ২৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা মানি লন্ডারিং মামলায় জেলা জজ আদালতের নাজির আলমগীর হোসেনসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন জেলার বিশেষ জজ আদালত।

রোববার জেলা দুদকের মামলায় দেয়া চার্জশিট গ্রহণের শুনানি শেষে আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দুদক আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

নোয়াখালী জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম জানান, জেলা জজ আদালতের সাময়িক বরখাস্তকৃত নাজির আলমগীর হোসেন, তার স্ত্রী জুডিশিয়াল পেশকার নাজমুন্নাহার, তার বোন আফরোজা আক্তার ও তার বন্ধু বিজন ভৌমিকের সহায়তায় অবৈধভাবে ৭ কোটি ১৭ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করে তা দখলে রাখা এবং আলমগীরের অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঐশী ট্রেডার্সের মাধ্যমে ২৭ কোটি ৮২ লাখ ৭২ হাজার টাকা মানি লন্ডারিং মামলায় তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা পর্যন্ত জামিনে ছিলেন।

রোববার এই চার আসামির কেউ আদালতে হাজির হয়নি। আদালত চার্জশিট শুনানির পর তা গ্রহণ করে ওই চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

আসামিরা পলাতক রয়েছে বলে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবির হোসেন জানান।

এর আগে একই আদালত দুদকের আবেদনে আলমগীরের বাড়ি ক্রোক করে আসামিদের সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আদেশ দেন।

মানি লন্ডারিং মামলায় জজ আদালতের নাজিরের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাত কোটি ১৭ লাখ টাকার অংশ সম্পদ অর্জন করে দখলে রাখা ও ২৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা মানি লন্ডারিং মামলায় জেলা জজ আদালতের নাজির আলমগীর হোসেনসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন জেলার বিশেষ জজ আদালত।

রোববার জেলা দুদকের মামলায় দেয়া চার্জশিট গ্রহণের শুনানি শেষে আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দুদক আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

নোয়াখালী জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম জানান, জেলা জজ আদালতের সাময়িক বরখাস্তকৃত নাজির আলমগীর হোসেন, তার স্ত্রী জুডিশিয়াল পেশকার নাজমুন্নাহার, তার বোন আফরোজা আক্তার ও তার বন্ধু বিজন ভৌমিকের সহায়তায় অবৈধভাবে ৭ কোটি ১৭ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করে তা দখলে রাখা এবং আলমগীরের অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঐশী ট্রেডার্সের মাধ্যমে ২৭ কোটি ৮২ লাখ ৭২ হাজার টাকা মানি লন্ডারিং মামলায় তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা পর্যন্ত জামিনে ছিলেন।

রোববার এই চার আসামির কেউ আদালতে হাজির হয়নি। আদালত চার্জশিট শুনানির পর তা গ্রহণ করে ওই চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

আসামিরা পলাতক রয়েছে বলে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবির হোসেন জানান।

এর আগে একই আদালত দুদকের আবেদনে আলমগীরের বাড়ি ক্রোক করে আসামিদের সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আদেশ দেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন