পদ্মার পানি বাড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
jugantor
পদ্মার পানি বাড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫৮:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মার পানি বাড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

পদ্মার পানি বৃদ্ধির ফলে শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার চরাঞ্চলসহ নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ফলে আগাম ফসল প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কয়েক দিন আগে বন্যায় জেলার ফসলের ব্যাপক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারও ফসল ক্ষতির মুখে পড়ায় কৃষক এখন দিশাহারা।

সোমবার শরীয়তপুর কৃষি বিভাগ ও সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পদ্মার পানি গত ৪-৫ দিনে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

পদ্মা নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ও ২-৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে জাজিরা এবং নড়িয়া উপজেলার শাকসবজি, মরিচ ও মাসকলাইসহ আগাম ফসল ক্ষতির মুখে পড়েছে।
চলতি মৌসুমের বর্ষার শুরুতেই বন্যায় জেলার ১৯ হাজার ৭৬৯ চাষির ৮৮২ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, রোপা আমন, আউশ, বোনা আমন পাট শাকসবজি, আখ, পান, ফলবাগান বিনষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১২ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার টাকার ফসল।

এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠতে না ওঠতেই ফের বন্যার পানিতে আমন শাকসবজি, মাসকলাই ও মরিচের চারা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে ২-৩ দিন নিমজ্জিত থাকার পর এসব ফসল সমূলে বিনষ্ট হয়ে যাবে। তাই শরীয়তপুরের কৃষক দিশাহারা। তারা বারবার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠতে হিমশিম খাচ্ছেন।

যাদের এসব ফসলের ওপর পরিবারের ব্যয় বহন করতে হয়, তাদের জন্য অনেক দুশ্চিন্তা। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ফসল করে বারবার অনাবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে বিনষ্ট হলে এ ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা দুসাধ্য। পাশাপাশি মানুষের শাকসবজির অভাব দেখা দেবে।

বন্যার পর যেসব জমিতে শাকসবজি বপন করা হয়েছে, ধীরে ধীরে তা বাজারজাত করা শুরু হয়েছিল। তা বিনষ্ট হলে তরকারি পাওয়া কষ্ট হবে।

এ ব্যাপারে জাজিরা উপজেলার লাউখোলা এলাকার কৃষক আতাউর রহমান বলেন, বারবার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা আমাদের জন্য কষ্টকর। কয়েক দিন আগে বন্যায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। আবার নতুন করে ফসল করেছি। ফের পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হয়েছে।

নড়িয়া উপজেলার নওপাড়া এলাকার কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বারবার ফসল করছি। আর অনাবৃষ্টি ও বন্যায় ভাসিয়ে নেয়। এখন আমরা কী করব? আমরা দিশাহারা।

নড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, কয়েক দিন আগে বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পুনরায় নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। ২-৩ দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে।

পদ্মার পানি বাড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

 শরীয়তপুর প্রতিনিধি 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পদ্মার পানি বাড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
ছবি: যুগান্তর

পদ্মার পানি বৃদ্ধির ফলে শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার চরাঞ্চলসহ নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ফলে আগাম ফসল প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কয়েক দিন আগে বন্যায় জেলার ফসলের ব্যাপক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারও ফসল ক্ষতির মুখে পড়ায় কৃষক এখন দিশাহারা।

সোমবার শরীয়তপুর কৃষি বিভাগ ও সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পদ্মার পানি গত ৪-৫ দিনে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

পদ্মা নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ও ২-৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে জাজিরা এবং নড়িয়া উপজেলার শাকসবজি, মরিচ ও মাসকলাইসহ আগাম ফসল ক্ষতির মুখে পড়েছে।
চলতি মৌসুমের বর্ষার শুরুতেই বন্যায় জেলার ১৯ হাজার ৭৬৯ চাষির ৮৮২ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, রোপা আমন, আউশ, বোনা আমন পাট শাকসবজি, আখ, পান, ফলবাগান বিনষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১২ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার টাকার ফসল।

এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠতে না ওঠতেই ফের বন্যার পানিতে আমন শাকসবজি, মাসকলাই ও মরিচের চারা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে ২-৩ দিন নিমজ্জিত থাকার পর এসব ফসল সমূলে বিনষ্ট হয়ে যাবে। তাই  শরীয়তপুরের কৃষক দিশাহারা। তারা বারবার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠতে হিমশিম খাচ্ছেন।

যাদের এসব ফসলের ওপর পরিবারের ব্যয় বহন করতে হয়, তাদের জন্য অনেক দুশ্চিন্তা। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ফসল করে বারবার অনাবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে বিনষ্ট হলে এ ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা দুসাধ্য। পাশাপাশি মানুষের শাকসবজির অভাব দেখা দেবে।

বন্যার পর যেসব জমিতে শাকসবজি বপন করা হয়েছে, ধীরে ধীরে তা বাজারজাত করা শুরু হয়েছিল। তা বিনষ্ট হলে তরকারি পাওয়া কষ্ট হবে।

এ ব্যাপারে জাজিরা উপজেলার লাউখোলা এলাকার কৃষক আতাউর রহমান বলেন, বারবার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা আমাদের জন্য কষ্টকর। কয়েক দিন আগে বন্যায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। আবার নতুন করে ফসল করেছি। ফের পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হয়েছে।

নড়িয়া উপজেলার নওপাড়া এলাকার কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বারবার ফসল করছি। আর অনাবৃষ্টি ও বন্যায় ভাসিয়ে নেয়। এখন আমরা কী করব? আমরা দিশাহারা।

নড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, কয়েক দিন আগে বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পুনরায় নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। ২-৩ দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন