জরুরি বিভাগ চালুর দাবিতে সাতক্ষীরা মেডিকেলে ইন্টার্ন বিক্ষোভ, ভাংচুর
jugantor
জরুরি বিভাগ চালুর দাবিতে সাতক্ষীরা মেডিকেলে ইন্টার্ন বিক্ষোভ, ভাংচুর

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৪৪:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগ চালু করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ইন্টার্ন ডাক্তাররা। তারা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য সব ডাক্তারকে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় তারা হাসপাতালের কম্পিউটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভাংচুর করেন।

ইন্টার্ন ডাক্তারদের পক্ষে মো. আমিনুর রহমান জানান, ২০১৪-১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালে এতদিনেও জরুরি বিভাগ চালু করা হয়নি। যার ফলে ইন্টার্ন শেষ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে অনেক কিছু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া সাতক্ষীরার ২২ লাখ মানুষ জরুরি চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই দাবি নিয়ে তারা বারবার দেনদরবার করেও কোনো ফল পাননি।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি জরুরি বিভাগ চালুর ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বারবার লেখালেখি করছেন। কিন্তু ডাক্তার ও অন্যান্য জনবল সংকট থাকার কারণে জরুরি বিভাগ চালু করা যাচ্ছে না। ইন্টার্ন ডাক্তাররা হাসপাতালের সব কর্মচারীকে গেটের বাইরে বের করে দিয়ে কলাপসিবল গেট আটকে দেন। এ সময় তারা বিক্ষোভ ও অবরোধ বহাল রাখেন।

খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান ও পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইন্টার্ন ডাক্তারদের শান্ত করেন। পরে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং মেডিকেল কলেজের তত্ত্বাবধায়ক এবং ইন্টার্ন ডাক্তারদের প্রতিনিধির সমন্বয়ে এক সভা আহ্বান করা হয়েছে। সেখানে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জরুরি বিভাগ চালুর দাবিতে সাতক্ষীরা মেডিকেলে ইন্টার্ন বিক্ষোভ, ভাংচুর

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাতক্ষীরা সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগ চালু করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ইন্টার্ন ডাক্তাররা। তারা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য সব ডাক্তারকে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় তারা হাসপাতালের কম্পিউটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভাংচুর করেন।

ইন্টার্ন ডাক্তারদের পক্ষে মো. আমিনুর রহমান জানান, ২০১৪-১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালে এতদিনেও জরুরি বিভাগ চালু করা হয়নি। যার ফলে ইন্টার্ন শেষ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে অনেক কিছু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া সাতক্ষীরার ২২ লাখ মানুষ জরুরি চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই দাবি নিয়ে তারা বারবার দেনদরবার করেও কোনো ফল পাননি।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি জরুরি বিভাগ চালুর ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বারবার লেখালেখি করছেন। কিন্তু ডাক্তার ও অন্যান্য জনবল সংকট থাকার কারণে জরুরি বিভাগ চালু করা যাচ্ছে না। ইন্টার্ন ডাক্তাররা হাসপাতালের সব কর্মচারীকে গেটের বাইরে বের করে দিয়ে কলাপসিবল গেট আটকে দেন। এ সময় তারা বিক্ষোভ ও অবরোধ বহাল রাখেন।

খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান ও পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইন্টার্ন ডাক্তারদের শান্ত করেন। পরে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং মেডিকেল কলেজের তত্ত্বাবধায়ক এবং ইন্টার্ন ডাক্তারদের প্রতিনিধির সমন্বয়ে এক সভা আহ্বান করা হয়েছে। সেখানে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন