ছিনতাইকারীকে ধরিয়ে দেয়ায় নারীকে পুলিশের সম্মাননা
jugantor
ছিনতাইকারীকে ধরিয়ে দেয়ায় নারীকে পুলিশের সম্মাননা

  বরিশাল ব্যুরো  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৩১:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ছিনতাইয়ের আসামি গ্রেফতার করার মাধ্যমে অপরাধ দমনে পুলিশকে সহায়তা করায় লাইজু বেগম (৪২) নামে এক নারীকে সম্মাননা দিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।

রোববার বরিশাল বিএম কলেজে মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে সম্মাননা দেন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান।

লাইজু বেগম বাবুগঞ্জের দেহেরগতি ইউনিয়নের আমির হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, লাইজু বেগম (৪২) গত ২৩ আগস্ট ভোরে লঞ্চে ঢাকা থেকে বরিশাল লঞ্চঘাটে নেমে রহমতপুর মেয়ের বাড়ি যাওয়ার জন্য ব্যাটারিচালিত রিকশায় ওঠেন। প্রায় ২০ মিনিট পর রিকশাচালক মো. ছালাম কাশিপুর মহামায়ার পোলের পশ্চিমে লাদেন সড়কের মধ্য একটি কার্লভাটের ওপর হঠাৎ রিকশা থামায়। রিকশা থামানোর কারণ জানতে চাইলে লাইজু বেগমকে খুনের ভয় দেখিয়ে মালামাল ছিনিয়ে নেয় রিকশাচালক। লাইজু বেগম ভয়ে চিৎকার করলে রিকশাচালক তাকে ধাক্কা দিয়ে ময়লা-আবর্জনার ড্রেনের মধ্য ফেলে দিয়ে চলে যায়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী স্থানীয়দের সহযোগিতায় অন্য একটি রিকশায় রহমতপুর তার মেয়ের বাড়ি গিয়ে তার মেয়েকে জানালে দুপুরে লাইজু বেগম ও তার মেয়ে রিকশাচালককে খুঁজতে বরিশালে আসেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রিকশাচালককে বিবির পুকুরপাড়ে দেখতে পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে টহলরত এসআই বশিরসহ তার টিম রিকশাচালককে গ্রেফতার করে এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করেন।

ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর এয়ারপোর্ট থানার সহায়তায় রিকশাচালক ছালাম হাওলাদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লাইজু বেগমের ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানা কর্তৃক ছিনতাইকারী ছালামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত রিকশা জব্দ করা হয়েছে।

ছিনতাইকারীকে ধরিয়ে দেয়ায় নারীকে পুলিশের সম্মাননা

 বরিশাল ব্যুরো 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ছিনতাইয়ের আসামি গ্রেফতার করার মাধ্যমে অপরাধ দমনে পুলিশকে সহায়তা করায় লাইজু বেগম (৪২) নামে এক নারীকে সম্মাননা দিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।

রোববার বরিশাল বিএম কলেজে মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে সম্মাননা দেন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান।

লাইজু বেগম বাবুগঞ্জের দেহেরগতি ইউনিয়নের আমির হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, লাইজু বেগম (৪২) গত ২৩ আগস্ট ভোরে লঞ্চে ঢাকা থেকে বরিশাল লঞ্চঘাটে নেমে রহমতপুর মেয়ের বাড়ি যাওয়ার জন্য ব্যাটারিচালিত রিকশায় ওঠেন। প্রায় ২০ মিনিট পর রিকশাচালক মো. ছালাম কাশিপুর মহামায়ার পোলের পশ্চিমে লাদেন সড়কের মধ্য একটি কার্লভাটের ওপর হঠাৎ রিকশা থামায়। রিকশা থামানোর কারণ জানতে চাইলে লাইজু বেগমকে খুনের ভয় দেখিয়ে মালামাল ছিনিয়ে নেয় রিকশাচালক। লাইজু বেগম ভয়ে চিৎকার করলে রিকশাচালক তাকে ধাক্কা দিয়ে ময়লা-আবর্জনার ড্রেনের মধ্য ফেলে দিয়ে চলে যায়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী স্থানীয়দের সহযোগিতায় অন্য একটি রিকশায় রহমতপুর তার মেয়ের বাড়ি গিয়ে তার মেয়েকে জানালে দুপুরে লাইজু বেগম ও তার মেয়ে রিকশাচালককে খুঁজতে বরিশালে আসেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রিকশাচালককে বিবির পুকুরপাড়ে দেখতে পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে টহলরত এসআই বশিরসহ তার টিম রিকশাচালককে গ্রেফতার করে এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করেন।

ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর এয়ারপোর্ট থানার সহায়তায় রিকশাচালক ছালাম হাওলাদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লাইজু বেগমের ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানা কর্তৃক ছিনতাইকারী ছালামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত রিকশা জব্দ করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন