দুমকিতে ফেরিঘাট সড়কের বেহাল দশা
jugantor
দুমকিতে ফেরিঘাট সড়কের বেহাল দশা

  দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩০:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

দুমকিতে ফেরিঘাট সড়কের বেহাল দশা

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের লেবুখালী ফেরিঘাটে এক কিমি সড়কের বেহাল দশা।

হাঁটুকাদায় অবর্ণনীয় যাত্রী দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। এতে দূরপাল্লার ও অভ্যন্তরীণ রুটে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সরেজমিন লেবুখালী ফেরিঘাট পরিদর্শনে গিয়ে এমন দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র দেখা গেছে।

জানা যায়, বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা রুটের লেবুখালীতে পায়রা নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর উভয় তীরে ফেরিঘাট থেকে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে হাঁটুকাদায় পরিপূর্ণ হয়ে আছে। হাঁটুকাদা পেরিয়ে পায়ে হেঁটে বা যানবাহনে চড়ে যাত্রীদের ঘাটে পৌঁছে ফেরি পারাপার হতে হয়।

হাঁটুকাদা অতিক্রমের উটকো বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় যানবাহন ও যাত্রীদের। বিশেষত পায়ে হেঁটে চলা পথচারী বৃদ্ধ ও শিশুদের কষ্ট বেড়েছে কয়েকগুণ।

ফেরিঘাটের ব্যবসায়ী আবদুল জলিল ফরাজী জানান, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে ঘাটের উভয় তীরের রাস্তায় খানাখন্দ আর কাদাপানিতে একাকার হয়ে গেছে।
স্থানে স্থানে ছোট-বড় গর্ত আর কাদাপানির বিড়ম্বনা সহ্য করেই এলাকার ব্যবসায়ী, পথচারী ও দূর-দূরান্তের যাত্রীসাধারণকে ফেরিঘাট অতিক্রম করতে হচ্ছে।

সাকুরা পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার আলমগীর হোসেন জানান, কাদায় সয়লাব থাকা সড়কের স্থানে স্থানে গর্ত থাকায় যানবাহন ও চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগ বেড়েছে। গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।

অন্যদিকে হাঁটুকাদা মাড়িয়ে যাত্রীসাধারণকে ঘাটে যাতায়াত করতে হচ্ছে। নিতান্ত ঠেকায় না পড়লে কেউ হাঁটুকাদা পেরিয়ে ঘাটে যেতে আসতে পারছেন না। যানবাহনের যাত্রীরাও ফেরিঘাটে নামতে পারছেন না। এতে ব্যবসায়ীদের বেচা-বিক্রিতেও ধস নেমেছে।

ফেরিঘাটের সুপারভাইজার আবদুল কুদ্দুস বলেন, নির্মাণাধীন পায়রা সেতুর গার্ডার পাইল করতে গিয়ে অ্যাপ্রোচ সড়কের ওপর মাটির স্তূপ থেকে কাদা ছড়িয়ে ঘাটের এমন দুরবস্থা হয়েছে। ব্রিজের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে সাময়িক অসুবিধা মেনে নিতেই হচ্ছে। তবে বৃষ্টি কমলে রৌদ্রে শুকিয়ে গেলে আর তেমন কোনো অসুবিধা থাকবে না।

দুমকিতে ফেরিঘাট সড়কের বেহাল দশা

 দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দুমকিতে ফেরিঘাট সড়কের বেহাল দশা
ছবি: যুগান্তর

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের লেবুখালী ফেরিঘাটে এক কিমি সড়কের বেহাল দশা।

হাঁটুকাদায় অবর্ণনীয় যাত্রী দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। এতে দূরপাল্লার ও অভ্যন্তরীণ রুটে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সরেজমিন লেবুখালী ফেরিঘাট পরিদর্শনে গিয়ে এমন দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র দেখা গেছে।

জানা যায়, বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা রুটের লেবুখালীতে পায়রা নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর উভয় তীরে ফেরিঘাট থেকে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে হাঁটুকাদায় পরিপূর্ণ হয়ে আছে। হাঁটুকাদা পেরিয়ে পায়ে হেঁটে বা যানবাহনে চড়ে যাত্রীদের ঘাটে পৌঁছে ফেরি পারাপার হতে হয়।

হাঁটুকাদা অতিক্রমের উটকো বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় যানবাহন ও যাত্রীদের। বিশেষত পায়ে হেঁটে চলা পথচারী বৃদ্ধ ও শিশুদের কষ্ট বেড়েছে কয়েকগুণ।

ফেরিঘাটের ব্যবসায়ী আবদুল জলিল ফরাজী জানান, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে ঘাটের উভয় তীরের রাস্তায় খানাখন্দ আর কাদাপানিতে একাকার হয়ে গেছে।
স্থানে স্থানে ছোট-বড় গর্ত আর কাদাপানির বিড়ম্বনা সহ্য করেই এলাকার ব্যবসায়ী, পথচারী ও দূর-দূরান্তের যাত্রীসাধারণকে ফেরিঘাট অতিক্রম করতে হচ্ছে।

সাকুরা পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার আলমগীর হোসেন জানান, কাদায় সয়লাব থাকা সড়কের স্থানে স্থানে গর্ত থাকায় যানবাহন ও চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগ বেড়েছে। গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।

অন্যদিকে হাঁটুকাদা মাড়িয়ে যাত্রীসাধারণকে ঘাটে যাতায়াত করতে হচ্ছে। নিতান্ত ঠেকায় না পড়লে কেউ হাঁটুকাদা পেরিয়ে ঘাটে যেতে আসতে পারছেন না। যানবাহনের যাত্রীরাও ফেরিঘাটে নামতে পারছেন না। এতে ব্যবসায়ীদের বেচা-বিক্রিতেও ধস নেমেছে।

ফেরিঘাটের সুপারভাইজার আবদুল কুদ্দুস বলেন, নির্মাণাধীন পায়রা সেতুর গার্ডার পাইল করতে গিয়ে অ্যাপ্রোচ সড়কের ওপর মাটির স্তূপ থেকে কাদা ছড়িয়ে ঘাটের এমন দুরবস্থা হয়েছে। ব্রিজের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে সাময়িক অসুবিধা মেনে নিতেই হচ্ছে। তবে বৃষ্টি কমলে রৌদ্রে শুকিয়ে গেলে আর তেমন কোনো অসুবিধা থাকবে না।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন