কাঠের তৈরি দৃষ্টিনন্দন মমিন মসজিদ দেখতে মানুষের ভিড়
jugantor
কাঠের তৈরি দৃষ্টিনন্দন মমিন মসজিদ দেখতে মানুষের ভিড়

  আবদুস সালাম আজাদী, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর)  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:০৮:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী ‘মমিন মসজিদ’ উপমহাদেশের একমাত্র কাঠের তৈরি মসজিদ। এটি উপজেলার বুড়িরচর গ্রামের আকনবাড়িতে অবস্থিত। ইতিহাসের নিদর্শন এ মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক আসেন।

স্থানীয় সমাজসেবক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি মরহুম মমিন উদ্দিন আকন ১২০ বছর আগে মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। মসজিদটি বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর কর্তৃক সংরক্ষিত। এর কোনোরূপ ক্ষতিসাধন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

সরেজমিন দেখা গেছে, মসজিদটি সম্পূর্ণ কাঠের তৈরি। বহু দুষ্প্রাপ্য ও মূল্যবান কাঠ দ্বারা এটি নির্মিত। অসাধারণ ও দৃষ্টিনন্দন এর নির্মাণশৈলী। বিভিন্ন সময় বর্ষার কারণে নামমাত্র কিছু কাঠ বা রঙের ক্ষতি হলেও পরবর্তীতে মেরামত করে সৌন্দর্য ধরে রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত কাঠে কোনো প্রকার পোকা ধরেনি।

মরহুম মমিন উদ্দিন আকনের নাতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, মসজিদের কাঠে সামান্য কিছু পিঁপড়ে ছাড়া অন্য কোনো পোকা দেখা যায় না। বহু দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা মসজিদটি দেখতে আসেন।

তিনি আরও জানান, একবার জার্মানি থেকে এক নারী সাংবাদিকও এসেছিলেন। মসজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজ চলে। স্থানীয় মুসল্লিরা এখানে নামাজ পড়েন এবং মসজিদটি নিয়ে গর্ববোধ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা ঐতিহ্যবাহী দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটির আরও সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

কাঠের তৈরি দৃষ্টিনন্দন মমিন মসজিদ দেখতে মানুষের ভিড়

 আবদুস সালাম আজাদী, মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী ‘মমিন মসজিদ’ উপমহাদেশের একমাত্র কাঠের তৈরি মসজিদ। এটি উপজেলার বুড়িরচর গ্রামের আকনবাড়িতে অবস্থিত। ইতিহাসের নিদর্শন এ মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক আসেন।

স্থানীয় সমাজসেবক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি মরহুম মমিন উদ্দিন আকন ১২০ বছর আগে মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। মসজিদটি বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর কর্তৃক সংরক্ষিত। এর কোনোরূপ ক্ষতিসাধন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

সরেজমিন দেখা গেছে, মসজিদটি সম্পূর্ণ কাঠের তৈরি। বহু দুষ্প্রাপ্য ও মূল্যবান কাঠ দ্বারা এটি নির্মিত। অসাধারণ ও দৃষ্টিনন্দন এর নির্মাণশৈলী। বিভিন্ন সময় বর্ষার কারণে নামমাত্র কিছু কাঠ বা রঙের ক্ষতি হলেও পরবর্তীতে মেরামত করে সৌন্দর্য ধরে রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত কাঠে কোনো প্রকার পোকা ধরেনি।

মরহুম মমিন উদ্দিন আকনের নাতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, মসজিদের কাঠে সামান্য কিছু পিঁপড়ে ছাড়া অন্য কোনো পোকা দেখা যায় না। বহু দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা মসজিদটি দেখতে আসেন।

তিনি আরও  জানান, একবার জার্মানি থেকে এক নারী সাংবাদিকও এসেছিলেন। মসজিদে ৫ ওয়াক্ত নামাজ চলে। স্থানীয় মুসল্লিরা এখানে নামাজ পড়েন এবং মসজিদটি নিয়ে গর্ববোধ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা ঐতিহ্যবাহী দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটির আরও সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন