‘নতুন তালিকা নিয়ে দ্রুত অভিযানে নামবে পুলিশ’
jugantor
‘নতুন তালিকা নিয়ে দ্রুত অভিযানে নামবে পুলিশ’

  শফিউল্লাহ শফি, কক্সবাজার  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:২৭:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পুরনো তালিকাসহ নতুন তালিকা তৈরি করে দ্রুত সময়ের মধ্যেই মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তির পরিবর্তন নয়, মানুষের সেবা করার জন্য কক্সবাজারে পুলিশের পরিবর্তন হয়েছে। কক্সবাজারকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে পুলিশ। পাশাপাশি মাদক, ইয়াবা চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে বদলি হয়ে আসা পুলিশ সদস্যদের কাজ করে যেতে হবে।

ডিআইজি বলেন, আমার বিশ্বাস যোগদান করা পুলিশের সব সদস্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছেন। সবাই কক্সবাজার আসার আগে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন এখানে অপরাধপ্রবণতা দূর করার জন্য। এছাড়া মাদক ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত আছে তাদের তালিকা আগেও কক্সবাজার জেলা পুলিশের হাতে ছিল। ওই তালিকাসহ নতুন তালিকা তৈরি করে দ্রুত সময়ে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হবে। মাদক বিক্রেতা, ক্রেতা, সেবনকারী, মাদকে মদদদাতা, অর্থ জোগানদাতা কেউ রেহাই পাবে না।

মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সকালে প্রথমে চকরিয়া থানা পরিদর্শনে যান। সেখানে নবাগত সব পুলিশের সঙ্গে আলাপ করেন এবং দিকনির্দেশনা দেন।

পর্যায়ক্রমে কক্সবাজারের আটটি থানা পরিদর্শন ও নবাগত পুলিশ কর্মকর্তা এবং সদস্যদের দিকনিদের্শনা প্রদানের জন্য ডিআইজি কক্সবাজার পরিদর্শন করছেন বলে জানান। তিনি কক্সবাজারে দুই দিন অবস্থান করে সার্বিক বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করবেন।

ডিআইজি আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নির্মূলে টাস্কফোর্স আছে। টাস্কফোর্স সদস্যদের সঙ্গে মিটিং করা হবে। নতুন পুলিশ সুপার সবকিছু বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।

ডিআইজি বলেন, আমার দায়িত্ব পালন সময়ে কোনো কর্মকর্তা ঘুরেফিরে এক জায়গায় থাকার ট্রেডিশন থাকবে না। তবে চাকরি করতে এসে এক থানা থেকে পাশের অন্য থানায় চাকরি করতে পারবে না- এমন বিধিনিষেধ নেই। এটি নিয়ে আইনেরও লঙ্ঘন হওয়ার মতো বিষয় নয়। যেহেতু বিষয়টা আলোচনা সমালোচনায় এসেছে নিশ্চয়ই আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে। তাই ঘুরে ফিরে দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হবে না।

ডিআইজি বলেন, কক্সবাজারে এক সঙ্গে সব পুলিশ বদলি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এই নতুন দল জেলার সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবে- এটাই আমার আশা।

একইভাবে কক্সবাজারের নবাগত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান বলেন, থানাকেন্দ্রিক কোনো দালালের প্রশ্রয় হবে না। কোনো ধরনের দালালকে থানার কিনারায় ঘেঁষতে দেয়া হবে না। থানার কিনারায় এলেই আটক করা হবে। পাশাপাশি সব পুলিশ সদস্যকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন নবাগত এসপি।

পরে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসারদের সঙ্গে উপস্থিত সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত এক মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির উল গিয়াস বলেন, কক্সবাজার সদর মডেল হবে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের সেবাদানের জন্য। এসব মানুষের জন্য থানার সেবা সব সময় বজায় থাকবে। তাদের জন্য থানার দরজা সব সময় খোলা থাকবে। তারা নিজেরাই এসে থানার সেবা নিতে পারবেন। কোনো দালালের খপ্পরে পড়ে লাভ হবে না।

এ সময় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত বিপুল চন্দ্র দে, ওসি অপারেশন মোহাম্মদ সেলিমসহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তা ও প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

‘নতুন তালিকা নিয়ে দ্রুত অভিযানে নামবে পুলিশ’

 শফিউল্লাহ শফি, কক্সবাজার 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পুরনো তালিকাসহ নতুন তালিকা তৈরি করে দ্রুত সময়ের মধ্যেই মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তির পরিবর্তন নয়, মানুষের সেবা করার জন্য কক্সবাজারে পুলিশের পরিবর্তন হয়েছে। কক্সবাজারকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে পুলিশ। পাশাপাশি মাদক, ইয়াবা চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে বদলি হয়ে আসা পুলিশ সদস্যদের কাজ করে যেতে হবে।

ডিআইজি বলেন, আমার বিশ্বাস যোগদান করা পুলিশের সব সদস্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছেন। সবাই কক্সবাজার আসার আগে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন এখানে অপরাধপ্রবণতা দূর করার জন্য। এছাড়া মাদক ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত আছে তাদের তালিকা আগেও কক্সবাজার জেলা পুলিশের হাতে ছিল। ওই তালিকাসহ নতুন তালিকা তৈরি করে দ্রুত সময়ে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হবে। মাদক বিক্রেতা, ক্রেতা, সেবনকারী, মাদকে মদদদাতা, অর্থ জোগানদাতা কেউ রেহাই পাবে না।

মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সকালে প্রথমে চকরিয়া থানা পরিদর্শনে যান। সেখানে নবাগত সব পুলিশের সঙ্গে আলাপ করেন এবং দিকনির্দেশনা দেন। 

পর্যায়ক্রমে কক্সবাজারের আটটি থানা পরিদর্শন ও নবাগত পুলিশ কর্মকর্তা এবং সদস্যদের দিকনিদের্শনা প্রদানের জন্য ডিআইজি কক্সবাজার পরিদর্শন করছেন বলে জানান। তিনি কক্সবাজারে দুই দিন অবস্থান করে সার্বিক বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করবেন।

ডিআইজি আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নির্মূলে টাস্কফোর্স আছে। টাস্কফোর্স সদস্যদের সঙ্গে মিটিং করা হবে। নতুন পুলিশ সুপার সবকিছু বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। 

ডিআইজি বলেন, আমার দায়িত্ব পালন সময়ে কোনো কর্মকর্তা ঘুরেফিরে এক জায়গায় থাকার ট্রেডিশন থাকবে না। তবে চাকরি করতে এসে এক থানা থেকে পাশের অন্য থানায় চাকরি করতে পারবে না- এমন বিধিনিষেধ নেই। এটি নিয়ে আইনেরও লঙ্ঘন হওয়ার মতো বিষয় নয়। যেহেতু বিষয়টা আলোচনা সমালোচনায় এসেছে নিশ্চয়ই আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে। তাই ঘুরে ফিরে দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হবে না। 

ডিআইজি বলেন, কক্সবাজারে এক সঙ্গে সব পুলিশ বদলি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এই নতুন দল জেলার সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবে- এটাই আমার আশা।

একইভাবে কক্সবাজারের নবাগত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান বলেন, থানাকেন্দ্রিক কোনো দালালের প্রশ্রয় হবে না। কোনো ধরনের দালালকে থানার কিনারায় ঘেঁষতে দেয়া হবে না। থানার কিনারায় এলেই আটক করা হবে। পাশাপাশি সব পুলিশ সদস্যকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন নবাগত এসপি।

পরে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসারদের সঙ্গে উপস্থিত সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত এক মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির উল গিয়াস বলেন, কক্সবাজার সদর মডেল হবে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের সেবাদানের জন্য। এসব মানুষের জন্য থানার সেবা সব সময় বজায় থাকবে। তাদের জন্য থানার দরজা সব সময় খোলা থাকবে। তারা নিজেরাই এসে থানার সেবা নিতে পারবেন। কোনো দালালের খপ্পরে পড়ে লাভ হবে না।

এ সময় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত বিপুল চন্দ্র দে, ওসি অপারেশন মোহাম্মদ সেলিমসহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তা ও প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : মেজর সিনহার মৃত্যু

আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন