কুমিল্লায় গ্রাহকের ২০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও এনজিও 
jugantor
কুমিল্লায় গ্রাহকের ২০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও এনজিও 

  হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:৩১:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার হোমনায় ঋণ দেয়ার কথা বলে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে গ্রামীণ সেবা ফাউন্ডেশন নামে একটি ভুয়া এনজিও সংস্থা।

জানা গেছে, ৫০ হাজার টাকা লোন পেতে ৫ হাজার ও ১ লাখ টাকা লোন পেতে ১০ হাজার টাকা জামানত রাখার কথা বলে এলাকার প্রায় ২০০ গ্রাহকের কাছ থেকে এ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে তারা।

এ ব্যাপারে সোমবার মিশু আক্তার নামে এক ভুক্তভোগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা সদরের প্রবাসী আলাউদ্দিনের বাড়ির দোতলা ভাড়া নিয়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সদস্য সংগ্রহ ও লোন কার্যক্রম শুরু করে সংস্থাটি। এতে লোন দেয়ার নাম করে জামানতের বিশ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে তারা। অফিস বন্ধ পেয়ে গ্রাহকরা অফিসের সামনে ভিড় করছেন।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, বাড়ির মালিক জামানতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এসএম আনোয়ারুল ইসলাম ও সুপারভাইজার সানজিদা আক্তার ও সালমা আক্তার গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেন। শনিবার লোন দেয়ার কথা ছিল; কিন্তু শনিবার সকাল থেকেই অফিসে তালা দিয়ে সবাই লাপাত্তা হয়ে গেছে। বাড়ির মালিক এখন এর দায়িত্ব নিতে নারাজ। তিনি বলছেন এদের কোনো ঠিকানা তার জানা নেই।

অভিযোগকারী মিশু আক্তার যুগান্তর প্রতিনিধিকে জানান, আমাকে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি দেয়ার কথা বলে ৬০ হাজার টাকা জামানত রাখতে বলে। আমি বাড়ির মালিক উম্মেহানি ও তার বোন ফাতেমা আক্তারের সঙ্গে কথা বলে ম্যানেজার এসএম আনোয়ারুল ইসলামের কাছে ৬০ হাজার টাকা জমা দেই।

পরে আমাকে দুলালপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের দায়িত্ব দেয়। আমি তাদের কথা অনুযায়ী ১৭ জনকে ১৭ লাখ টাকা লোন দেয়ার জন্য গ্রাহক থেকে জামানত হিসেবে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা অফিসে জমা দেই। শনিবার লোন দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল থেকে কেউ অফিসে আসেনি, তাদের মোবাইলও বন্ধ রয়েছে। গ্রাহকরা আমাকে টাকার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এদিকে বাড়ির মালিক এখন বলছেন তাদের নাকি তিনি চিনেন না। তাদের কোনো ঠিকানাও দিচ্ছেন না।

এ বিষয়ে বাড়ির মালিক উম্মেহানি যুগান্তর প্রতিনিধিকে বলেন, এই এনজিওটি আমার বাড়ির দোতলা ভাড়া নেয়ার কথা বলে সাইনবার্ড লাগিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। আগামী মাসে বাড়ি ভাড়ার চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। তবে কোনো গ্রাহক টাকা-পয়সা জমা দেয়ার ব্যাপারে আমার সঙ্গে আলোচনা করেননি।

চুক্তিবিহীন একটি সংস্থাকে কেন ভাড়া দিয়েছেন- এ বিষয়ে কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি। এদিকে লোনপ্রত্যাশীরা অফিসে ভিড় করছেন বলে স্বীকার করেছেন তিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমন দে জানান, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে এর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুমিল্লায় গ্রাহকের ২০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও এনজিও 

 হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার হোমনায় ঋণ দেয়ার কথা বলে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে গ্রামীণ সেবা ফাউন্ডেশন নামে একটি ভুয়া এনজিও সংস্থা। 

জানা গেছে, ৫০ হাজার টাকা লোন পেতে ৫ হাজার ও ১ লাখ টাকা লোন পেতে ১০ হাজার টাকা জামানত রাখার কথা বলে এলাকার প্রায় ২০০ গ্রাহকের কাছ থেকে এ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে তারা।

এ ব্যাপারে সোমবার মিশু আক্তার নামে এক ভুক্তভোগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা সদরের প্রবাসী আলাউদ্দিনের বাড়ির দোতলা ভাড়া নিয়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সদস্য সংগ্রহ ও লোন কার্যক্রম শুরু করে সংস্থাটি। এতে লোন দেয়ার নাম করে জামানতের বিশ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে তারা। অফিস বন্ধ পেয়ে গ্রাহকরা অফিসের সামনে ভিড় করছেন। 

ভুক্তভোগীরা বলছেন, বাড়ির মালিক জামানতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এসএম আনোয়ারুল ইসলাম ও সুপারভাইজার সানজিদা আক্তার ও সালমা আক্তার গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেন। শনিবার লোন দেয়ার কথা ছিল; কিন্তু শনিবার সকাল থেকেই অফিসে তালা দিয়ে সবাই লাপাত্তা হয়ে গেছে। বাড়ির মালিক এখন এর দায়িত্ব নিতে নারাজ। তিনি বলছেন এদের কোনো ঠিকানা তার জানা নেই।

অভিযোগকারী মিশু আক্তার যুগান্তর প্রতিনিধিকে জানান, আমাকে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি দেয়ার কথা বলে ৬০ হাজার টাকা জামানত রাখতে বলে। আমি বাড়ির মালিক উম্মেহানি ও তার বোন ফাতেমা আক্তারের সঙ্গে কথা বলে ম্যানেজার এসএম আনোয়ারুল ইসলামের কাছে ৬০ হাজার টাকা জমা দেই। 

পরে আমাকে দুলালপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের দায়িত্ব দেয়। আমি তাদের কথা অনুযায়ী ১৭ জনকে ১৭ লাখ টাকা লোন দেয়ার জন্য গ্রাহক থেকে জামানত হিসেবে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা অফিসে জমা দেই। শনিবার লোন দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল থেকে কেউ অফিসে আসেনি, তাদের মোবাইলও বন্ধ রয়েছে। গ্রাহকরা আমাকে টাকার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এদিকে বাড়ির মালিক এখন বলছেন তাদের নাকি তিনি চিনেন না। তাদের কোনো ঠিকানাও দিচ্ছেন না।

এ বিষয়ে বাড়ির মালিক উম্মেহানি যুগান্তর প্রতিনিধিকে বলেন, এই এনজিওটি আমার বাড়ির দোতলা ভাড়া নেয়ার কথা বলে সাইনবার্ড লাগিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। আগামী মাসে বাড়ি ভাড়ার চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। তবে কোনো গ্রাহক টাকা-পয়সা জমা দেয়ার ব্যাপারে আমার সঙ্গে আলোচনা করেননি। 

চুক্তিবিহীন একটি সংস্থাকে কেন ভাড়া দিয়েছেন- এ বিষয়ে কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি। এদিকে লোনপ্রত্যাশীরা অফিসে ভিড় করছেন বলে স্বীকার করেছেন তিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমন দে জানান, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে এর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন