পটুয়াখালীর চন্দ্রদ্বীপে নির্মিত হবে ‘মুজিব কিল্লা’ 
jugantor
পটুয়াখালীর চন্দ্রদ্বীপে নির্মিত হবে ‘মুজিব কিল্লা’ 

  আরেফিন সহিদ, বাউফল (পটুয়াখালী)   

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৫০:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীবেষ্টিত ইউনিয়ন চন্দ্রদ্বীপে একটি ‘মুজিব কিল্লা’ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২ একর জমির উপর নির্মিতব্য ওই মুজিব কিল্লায় স্কুল কাম-সাইক্লোন শেল্টার, ক্যাটল শেড, গভীর নলকূপ, আরসিসি সড়ক, সোলার প্যানেল স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ করা হবে।

দুর্যোগকালীন চন্দ্রদ্বীপের মানুষ গৃহপালিত পশুর মায়া ত্যাগ করে সাইক্লোন শেল্টারে যেতে চান না। ফলে জলোচ্ছ্বাসের সময় অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়। সুপার সাইক্লোন সিডরের সময় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর ফেডারশনে প্রায় অর্ধশত মানুষ জলোচ্ছ্বাসে প্রাণ হারিয়েছেন।

তাই মুজিব কিল্লায় ক্যাটল শেড নির্মাণ করা হবে। ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস পেয়ে মানুষ ওই মুজিব কিল্লায় গৃহপালিত পশু নিয়ে আশ্রয় নিতে পারবেন। মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকল্পটির তদারকি করবেন।

বাউফলের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস বলেন, ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রামের এক ব্যক্তি নিজস্ব খরচে একটি মাটির কিল্লা নির্মাণের পর নামকরণ করেন ‘মুজিব কিল্লা’। ঘূর্ণিঝড়ের সময় সেই মুজিব কিল্লায় আশ্রয় নিয়ে অনেকে প্রাণে বেঁচে যান।

বর্তমান সরকার সারা দেশের দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় প্রথম পর্যায়ে ৫৫০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। বাউফল উপজেলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চন্দ্রদ্বীপে একটি ‘মুজিব কিল্লা’ নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায়সাহেব এলাকায় ২ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে অচিরেই ১০-১২ ফুট উঁচু করে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হবে।

চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাচ মোল্লা বলেন, যেখানে মুজিব কিল্লা নির্মাণ করা হবে তার পাশেই গুচ্ছগ্রামে ১১০টি পরিবার রয়েছেন। মুজিব কিল্লা নির্মাণের পর দুর্যোগকালীন আশ্রয় নেয়া ছাড়াও ওই পরিবারের শিশুরা নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পাবে।

পটুয়াখালীর চন্দ্রদ্বীপে নির্মিত হবে ‘মুজিব কিল্লা’ 

 আরেফিন সহিদ, বাউফল (পটুয়াখালী)  
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীবেষ্টিত ইউনিয়ন চন্দ্রদ্বীপে একটি ‘মুজিব কিল্লা’ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২ একর জমির উপর নির্মিতব্য ওই মুজিব কিল্লায় স্কুল কাম-সাইক্লোন শেল্টার, ক্যাটল শেড, গভীর নলকূপ, আরসিসি সড়ক, সোলার প্যানেল স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ করা হবে।

দুর্যোগকালীন চন্দ্রদ্বীপের মানুষ গৃহপালিত পশুর মায়া ত্যাগ করে সাইক্লোন শেল্টারে যেতে চান না। ফলে জলোচ্ছ্বাসের সময় অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়। সুপার সাইক্লোন সিডরের সময় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর ফেডারশনে প্রায় অর্ধশত মানুষ জলোচ্ছ্বাসে প্রাণ হারিয়েছেন। 

তাই মুজিব কিল্লায় ক্যাটল শেড নির্মাণ করা হবে। ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস পেয়ে মানুষ ওই মুজিব কিল্লায় গৃহপালিত পশু নিয়ে আশ্রয় নিতে পারবেন। মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকল্পটির তদারকি করবেন।

বাউফলের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস বলেন, ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রামের এক ব্যক্তি নিজস্ব খরচে একটি মাটির কিল্লা নির্মাণের পর নামকরণ করেন ‘মুজিব কিল্লা’। ঘূর্ণিঝড়ের সময় সেই মুজিব কিল্লায় আশ্রয় নিয়ে অনেকে প্রাণে বেঁচে যান। 

বর্তমান সরকার সারা দেশের দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় প্রথম পর্যায়ে ৫৫০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। বাউফল উপজেলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চন্দ্রদ্বীপে একটি ‘মুজিব কিল্লা’ নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায়সাহেব এলাকায় ২ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে অচিরেই ১০-১২ ফুট উঁচু করে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হবে।

চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাচ মোল্লা বলেন, যেখানে মুজিব কিল্লা নির্মাণ করা হবে তার পাশেই গুচ্ছগ্রামে ১১০টি পরিবার রয়েছেন। মুজিব কিল্লা নির্মাণের পর দুর্যোগকালীন আশ্রয় নেয়া ছাড়াও ওই পরিবারের শিশুরা নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পাবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন