মাধবপুরে সড়কে বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে
jugantor
মাধবপুরে সড়কে বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

  রোকন উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) থেকে  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:২৮:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে ভরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে হালুয়াপাড়া পর্যন্ত সড়কটিতে পানি জমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

কাদামাটি মাড়িয়ে শত শত পথচারীকে উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি করে এলেও বছরের পর বছর ধরে এ দাবি উপেক্ষিত।

স্থানে স্থানে গর্ত আর কাদাজলে একাকার সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে পথচারীদের মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

গাড়ি তো দূরের কথা পায়ে হাঁটাও দায় হয়ে পড়েছে রাস্তাটি দিয়ে। এতে করে ময়লা আর কাদা পানি মাড়িয়ে মাধবপুর উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে দক্ষিণ অঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষকে।

গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক রাজীব দেব রায় জানান, হালুয়াপাড়া থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক পর্যন্ত প্রায় সোয়া কিলোমিটার সড়কে স্থানে স্থানে বড় বড় গর্ত ও বৃষ্টির পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে।

কাদা মাড়িয়ে আসতে গিয়ে অনেক সময় কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। এ জন্য ব্যাগে করে আলাদা কাপড় নিয়ে আসতে হয়। বর্ষা মৌসুম এলেই এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা এ রকম দুর্ভোগের শিকার হন।

এলাকার মানুষের বাজার করা, ছেলেমেয়ের লেখাপড়া– এমনকি অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতেও মাধবপুর উপজেলা সদরই তাদের একমাত্র ভরসা। তাই প্রতিদিনই এই সড়ক দিয়ে এলাকাবাসীকে মাধবপুর সদরে আসতে হয়।

বেশ কয়েক বছর আগে এ সড়কটিতে ইটের সোলিং করা হলে এলাকাবাসীর কিছুটা দুর্ভোগ লাঘব হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুম এলেই এটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান বলেন, এ সড়কটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সম্প্রতি সড়কটি পাকাকরণের ব্যাপারে এলজিইডিতে একটি প্রস্তাব ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে হালুয়াপাড়া পর্যন্ত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি পাকাকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।

মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার হক চৌধুরী জানান, সিলেট বিভাগের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (এসডিপি) প্রকল্পের মাধ্যমে এক কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি এক কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের জন্য একনেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এখনও এটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদন পেলেই টেন্ডার আহ্বান করে কাজ শুরু করা হবে।

মাধবপুরে সড়কে বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

 রোকন উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) থেকে 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে ভরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে হালুয়াপাড়া পর্যন্ত সড়কটিতে পানি জমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

কাদামাটি মাড়িয়ে শত শত পথচারীকে উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি করে এলেও বছরের পর বছর ধরে এ দাবি উপেক্ষিত।

স্থানে স্থানে গর্ত আর কাদাজলে একাকার সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে পথচারীদের মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

গাড়ি তো দূরের কথা পায়ে হাঁটাও দায় হয়ে পড়েছে রাস্তাটি দিয়ে। এতে করে ময়লা আর কাদা পানি মাড়িয়ে মাধবপুর উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে  দক্ষিণ অঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষকে।

গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক রাজীব দেব রায় জানান, হালুয়াপাড়া থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক পর্যন্ত প্রায় সোয়া কিলোমিটার সড়কে স্থানে স্থানে বড় বড় গর্ত ও বৃষ্টির পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে।

কাদা মাড়িয়ে আসতে গিয়ে অনেক সময় কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।  এ জন্য ব্যাগে করে আলাদা কাপড় নিয়ে আসতে হয়। বর্ষা মৌসুম এলেই এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা এ রকম দুর্ভোগের শিকার হন।

এলাকার মানুষের বাজার করা, ছেলেমেয়ের লেখাপড়া– এমনকি অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতেও মাধবপুর উপজেলা সদরই তাদের একমাত্র ভরসা। তাই প্রতিদিনই এই সড়ক দিয়ে এলাকাবাসীকে মাধবপুর সদরে আসতে হয়।

বেশ কয়েক বছর আগে এ সড়কটিতে ইটের সোলিং করা হলে এলাকাবাসীর কিছুটা দুর্ভোগ লাঘব হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুম এলেই এটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান বলেন, এ সড়কটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সম্প্রতি সড়কটি পাকাকরণের ব্যাপারে এলজিইডিতে একটি প্রস্তাব ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে হালুয়াপাড়া পর্যন্ত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি পাকাকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।

মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার হক চৌধুরী জানান, সিলেট বিভাগের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (এসডিপি) প্রকল্পের মাধ্যমে এক কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি এক কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের জন্য একনেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এখনও এটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদন পেলেই টেন্ডার আহ্বান করে কাজ শুরু করা হবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন