এক শতক জায়গার জন্য ৪৭ বছরের লড়াই!
jugantor
এক শতক জায়গার জন্য ৪৭ বছরের লড়াই!

  সিলেট ব্যুরো  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:৫২:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে ৪৭ বছর আইনি লড়াইয়ের পর এক শতক ভূমি ফিরে পেয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে এরই মধ্যে মারা গেছেন মামলা দায়েরকারী জায়গার মালিক দক্ষিণা রঞ্জন চৌধুরী।

জেলা জজ আদালতের নির্দেশে নগরীর শেখঘাটে দক্ষিণা রঞ্জন চৌধুরীর পরিবারের কাছে গত মঙ্গলবার এই এক শতক ভূমি বুঝিয়ে দিয়েছেন জেলা জজ আদালতের কর্মকর্তারা। দক্ষিণা রঞ্জন চৌধুরী মারা গেলেও তার সন্তানরা ফিরে পেয়েছেন এই ভূমির মালিকানা।

জানা যায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের দিকে শেখঘাট এলাকার বাসিন্দা দক্ষিণা রঞ্জন চৌধুরী বসতভিটার এক শতক ভূমির মালিকানা দাবি করে প্রতিবেশী যশোমতি দে গংদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলা চলাকালে ২০১২ সালে তিনি মারা যান। পরে ২০১৭ সালে তার ছেলেরা মামলার পক্ষভুক্ত হন।

কোর্টে মোকদ্দমা চলাকালে উভয়পক্ষ ভাগাভাগি করে এক শতক ভূমি ভোগদখলে ছিলেন। মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন কোতোয়ালি থানা পুলিশের সহায়তায় জায়গা বুঝিয়ে দেন।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে জায়গার দখল বুঝিয়ে দিয়েছি। অন্যপক্ষ আদালতের রায় মেনে নিয়েছে।

দক্ষিণা চৌধুরীর ছেলে বিকাশ চৌধুরী বলেন, আমার পিতা মামলা করেছিলেন। কিন্তু তিনি রায় দেখে যেতে পারেননি, অবশেষে জায়গার মালিকানা ফিরে পেয়েছি।

এক শতক জায়গার জন্য ৪৭ বছরের লড়াই!

 সিলেট ব্যুরো 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে ৪৭ বছর আইনি লড়াইয়ের পর এক শতক ভূমি ফিরে পেয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে এরই মধ্যে মারা গেছেন মামলা দায়েরকারী জায়গার মালিক দক্ষিণা রঞ্জন চৌধুরী।

জেলা জজ আদালতের নির্দেশে নগরীর শেখঘাটে দক্ষিণা রঞ্জন চৌধুরীর পরিবারের কাছে গত মঙ্গলবার এই এক শতক ভূমি বুঝিয়ে দিয়েছেন জেলা জজ আদালতের কর্মকর্তারা। দক্ষিণা রঞ্জন চৌধুরী মারা গেলেও তার সন্তানরা ফিরে পেয়েছেন এই ভূমির মালিকানা।

জানা যায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের দিকে শেখঘাট এলাকার বাসিন্দা দক্ষিণা রঞ্জন চৌধুরী বসতভিটার এক শতক ভূমির মালিকানা দাবি করে প্রতিবেশী যশোমতি দে গংদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলা চলাকালে ২০১২ সালে তিনি মারা যান। পরে ২০১৭ সালে তার ছেলেরা মামলার পক্ষভুক্ত হন।

কোর্টে মোকদ্দমা চলাকালে উভয়পক্ষ ভাগাভাগি করে এক শতক ভূমি ভোগদখলে ছিলেন। মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন কোতোয়ালি থানা পুলিশের সহায়তায় জায়গা বুঝিয়ে দেন।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে জায়গার দখল বুঝিয়ে দিয়েছি। অন্যপক্ষ আদালতের রায় মেনে নিয়েছে।

দক্ষিণা চৌধুরীর ছেলে বিকাশ চৌধুরী বলেন, আমার পিতা মামলা করেছিলেন। কিন্তু তিনি রায় দেখে যেতে পারেননি, অবশেষে জায়গার মালিকানা ফিরে পেয়েছি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন