দিনাজপুরে নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না চাল
jugantor
দিনাজপুরে নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না চাল

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:১৭:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুর

ধানের জেলা দিনাজপুরে সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না চাল। সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা আর কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা বেশি দামে চাল বিক্রি হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা দুষছেন একে-অপরকে।

চালের বাজারের অস্থিরতা কমাতে ব্যবসায়ী ও চালকল মালিকদের সাথে মঙ্গলবার বৈঠক করে ভালোমানের মিনিকেট চাল প্রতি কেজি সাড়ে ৫১ টাকা এবং আটাশ জাতের মোটা চাল প্রতি কেজি ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। পাশাপাশি ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ভালো মানের মিনিকেট ২ হাজার ৫৫০ টাকা এবং বিআর-২৮ জাতের মোটা চালের দাম ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

গতকাল বুধবার দিনাজপুরের প্রধান চালের বাজার বাহাদুরবাজারে গিয়ে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা এবং বস্তাপ্রতি ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে চাল। গতকাল বুধবার ভালো মানের মিনিকেট চাল প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫২ টাকা থেকে ৫৪ টাকা এবং বিআর-২৮ জাতের মোটা চাল বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৫১ টাকা কেজি দরে।

চাল বিক্রেতা লিয়াকত আলী জানান, সরকারের বেঁধে দেয়া দামে আমরা এখনও চাল পাচ্ছি না। বিভিন্ন মিল থেকে বিভিন্ন দামে চাল আনতে হচ্ছে। মিল মালিকদের কাছ থেকেই ৫০ কেজির প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল কিনতে হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৬৫০ টাকা দরে। তাছাড়া মোটা চাল পাওয়া যাচ্ছে না।

তবে মিল মালিকরা বলছেন অন্যকথা। দিনাজপুর জেলা চালকল মালিক সমিতির নেতা সহিদুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, চালের দাম নিয়ে বিভিন্নজন বিভিন্ন কথা বলতেই পারেন। এ অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। কারণ আড়তদাররা যে দামে মিল থেকে চাল কিনছেন, তার ভাউচার চেক করা হোক। তাহলেই প্রকৃত তথ্য পাওয়া যাবে, মিলাররা কি দামে চাল বিক্রি করে এবং কারা দাম বাড়িয়েছে।

দিনাজপুর জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি মো. মোসাদ্দেক হুসেন জানান, ধানের দাম অনুসারে উৎপাদন খরচের ভিত্তিতেই নির্ধারণ হয় চালের দাম। বর্তমানে ধানের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি বেড়েছে দাম।

দিনাজপুরে নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না চাল

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দিনাজপুর
দিনাজপুর

ধানের জেলা দিনাজপুরে সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না চাল। সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা আর কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা বেশি দামে চাল বিক্রি হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা দুষছেন একে-অপরকে।

চালের বাজারের অস্থিরতা কমাতে ব্যবসায়ী ও চালকল মালিকদের সাথে মঙ্গলবার বৈঠক করে ভালোমানের মিনিকেট চাল প্রতি কেজি সাড়ে ৫১ টাকা এবং আটাশ জাতের মোটা চাল প্রতি কেজি ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। পাশাপাশি ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ভালো মানের মিনিকেট ২ হাজার ৫৫০ টাকা এবং বিআর-২৮ জাতের মোটা চালের দাম ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। 

গতকাল বুধবার দিনাজপুরের প্রধান চালের বাজার বাহাদুরবাজারে গিয়ে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা এবং বস্তাপ্রতি ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে চাল। গতকাল বুধবার ভালো মানের মিনিকেট চাল প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫২ টাকা থেকে ৫৪ টাকা এবং বিআর-২৮ জাতের মোটা চাল বিক্রি হয় ৫০ টাকা থেকে ৫১ টাকা কেজি দরে। 

চাল বিক্রেতা লিয়াকত আলী জানান, সরকারের বেঁধে দেয়া দামে আমরা এখনও চাল পাচ্ছি না। বিভিন্ন মিল থেকে বিভিন্ন দামে চাল আনতে হচ্ছে। মিল মালিকদের কাছ থেকেই ৫০ কেজির প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল কিনতে হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৬৫০ টাকা দরে। তাছাড়া মোটা চাল পাওয়া যাচ্ছে না। 

তবে মিল মালিকরা বলছেন অন্যকথা। দিনাজপুর জেলা চালকল মালিক সমিতির নেতা সহিদুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, চালের দাম নিয়ে বিভিন্নজন বিভিন্ন কথা বলতেই পারেন। এ অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। কারণ আড়তদাররা যে দামে মিল থেকে চাল কিনছেন, তার ভাউচার চেক করা হোক। তাহলেই প্রকৃত তথ্য পাওয়া যাবে, মিলাররা কি দামে চাল বিক্রি করে এবং কারা দাম বাড়িয়েছে। 

দিনাজপুর জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি মো. মোসাদ্দেক হুসেন জানান, ধানের দাম অনুসারে উৎপাদন খরচের ভিত্তিতেই নির্ধারণ হয় চালের দাম। বর্তমানে ধানের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি বেড়েছে দাম। 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন