বাবা সন্তান বিক্রি করে দেয়ায় মায়ের আত্মহত্যা চেষ্টা, অতঃপর...
jugantor
বাবা সন্তান বিক্রি করে দেয়ায় মায়ের আত্মহত্যা চেষ্টা, অতঃপর...

  শেরপুর প্রতিনিধি  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২৩:১৪:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরে নিজ সন্তানকে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠে সুলতান মিয়া নামে এক পাষণ্ড বাবার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাগে-ক্ষোভে ইউরিয়া সার খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ওই শিশুর মা সুমা আক্তার। পরে ওই সন্তানকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে তুলে দেয় পুলিশ।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী এলাকায়।

বুধবার দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ আত্মহত্যার চেষ্টা করা মা সুমা আক্তারকে সাপমারী এলাকা থেকে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেই সঙ্গে কানাশাখোলা এলাকায় জনৈক শফিকের কাছে বিক্রি করে দেয়া শিশুকে পুলিশ উদ্ধার করে মায়ের কাছে হস্তান্তর করে। অন্যদিকে শিশুটির বাবা সুলতান মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সাপমারী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে সুলতান মিয়া দুই স্ত্রী থাকার পরও গত দুই বছর আগে গাজীপুর জেলার মাওনা এলাকার আবদুল আজিজের মেয়ে সুমা আক্তারকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এদিকে তাদের দাম্পত্য ও সংসার জীবনে সুমা আক্তার গর্ভবতী হয়। পরে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে তার সিজারের মাধ্যমে গত ৪ মাস আগে একটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করে।

এদিকে সিজারের জন্য স্বামী সুলতান ২২ হাজার টাকা খরচ করেন। পরে সিজারের ২২ হাজার টাকা পাষণ্ড স্বামী সুলতান স্ত্রী সুমা আক্তারের কাছে দাবি করেন এবং টাকা না দিলে তার শিশু সন্তানকে বিক্রি করে টাকা আদায় করার হুমকি দেন। পরে কানাশাখোলা এলাকার কাপতুল মণ্ডলের ছেলে শফিকের কাছে গত দুই মাস আগে ওই শিশু সন্তানকে ৯১ হাজার টাকা বিক্রি করে দেন পিতা সুলতান।

যদিও শফিকের দাবি, সে শিশুটিকে কিনে নয়, বরং তার সন্তান না থাকায় লালন-পালন করতে দত্তক নিয়েছিলেন।

এদিকে বুধবার দুপুরে শিশুটির মা সুমা আক্তার তার শিশুর খোঁজে শফিকের বাসায় যায়। এ সময় ক্রেতা শফিক শিশুটি তার বাসায় নেই বলে সুমাকে তাড়িয়ে দেয়। পরে স্থানীয় কানাশাখোলা বাজারে ইউরিয়া সার খেয়ে সুমা আক্তার আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে সুমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিশুটি বুকে নিয়ে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে মা সুমি আক্তার। এখনও এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। ওই শিশুর বাবাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আমিনুল ইসলাম।

বাবা সন্তান বিক্রি করে দেয়ায় মায়ের আত্মহত্যা চেষ্টা, অতঃপর...

 শেরপুর প্রতিনিধি 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরে নিজ সন্তানকে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠে সুলতান মিয়া নামে এক পাষণ্ড বাবার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাগে-ক্ষোভে ইউরিয়া সার খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ওই শিশুর মা সুমা আক্তার। পরে ওই সন্তানকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে তুলে দেয় পুলিশ।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী এলাকায়।

বুধবার দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ আত্মহত্যার চেষ্টা করা মা সুমা আক্তারকে সাপমারী এলাকা থেকে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেই সঙ্গে কানাশাখোলা এলাকায় জনৈক শফিকের কাছে বিক্রি করে দেয়া শিশুকে পুলিশ উদ্ধার করে মায়ের কাছে হস্তান্তর করে। অন্যদিকে শিশুটির বাবা সুলতান মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সাপমারী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে সুলতান মিয়া দুই স্ত্রী থাকার পরও গত দুই বছর আগে গাজীপুর জেলার মাওনা এলাকার আবদুল আজিজের মেয়ে সুমা আক্তারকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এদিকে তাদের দাম্পত্য ও সংসার জীবনে সুমা আক্তার গর্ভবতী হয়। পরে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে তার সিজারের মাধ্যমে গত ৪ মাস আগে একটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করে।

এদিকে সিজারের জন্য স্বামী সুলতান ২২ হাজার টাকা খরচ করেন। পরে সিজারের ২২ হাজার টাকা পাষণ্ড স্বামী সুলতান স্ত্রী সুমা আক্তারের কাছে দাবি করেন এবং টাকা না দিলে তার শিশু সন্তানকে বিক্রি করে টাকা আদায় করার হুমকি দেন। পরে কানাশাখোলা এলাকার কাপতুল মণ্ডলের ছেলে শফিকের কাছে গত দুই মাস আগে ওই শিশু সন্তানকে ৯১ হাজার টাকা বিক্রি করে দেন পিতা সুলতান।

যদিও শফিকের দাবি, সে শিশুটিকে কিনে নয়, বরং তার সন্তান না থাকায় লালন-পালন করতে দত্তক নিয়েছিলেন।

এদিকে বুধবার দুপুরে শিশুটির মা সুমা আক্তার তার শিশুর খোঁজে শফিকের বাসায় যায়। এ সময় ক্রেতা শফিক শিশুটি তার বাসায় নেই বলে সুমাকে তাড়িয়ে দেয়। পরে স্থানীয় কানাশাখোলা বাজারে ইউরিয়া সার খেয়ে সুমা আক্তার আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে সুমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিশুটি বুকে নিয়ে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে মা সুমি আক্তার। এখনও এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। ওই শিশুর বাবাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আমিনুল ইসলাম।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন