ভুয়া প্রতিবন্ধী সেজে সরকারি ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ
jugantor
ভুয়া প্রতিবন্ধী সেজে সরকারি ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

  মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

০১ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৪২:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

পুত্র শহীদ হাওলাদার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক পিতার মৃত্যুর পর পুত্র ভুয়া শ্রবণ প্রতিবন্ধীর কাগজ তৈরি করে পেনশন ভাতার লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ হওয়ায় সংশিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন তদন্তে ভুয়া ও জাল-জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের চড়কগাছিয়া গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মৃত লেহাজ উদ্দিনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী জবেদা খাতুন পেনশন ভোগ করে আসছিলেন। মা জবেদা খাতুনের মৃত্যুর পর তার পুত্র শহীদ হাওলাদার অন্যান্য ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে শ্রবণ প্রতিবন্ধীর ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দেন এবং বিগত ২০১২ সাল থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কাঞ্চন পঞ্চায়েত ও চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়া সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন, মৃত লেহাজ উদ্দিন মাস্টারের পুত্র শহীদ প্রতিবন্ধী নন।

অভিযোগ রয়েছে, এ অনিয়ম ও দুর্নীতিতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিট অফিসার মজিবর রহমানের যোগসাজশ রয়েছে। তবে তিনি জানান, আমি কাউকে নিয়মকানুনের বিষয়ে পরামর্শ দিতেই পারি।

অভিযুক্ত শহীদ আত্মগোপনে থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এমনকি মুঠোফোনটি স্ত্রীর কাছে রেখে যান।

এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অধিদফতরের সাপলেজা ইউনিয়নের মাঠকর্মী মো. হুমাউন কবীর জানান, চিকিৎসক প্রতিবন্ধীর প্রত্যয়ন দেয়ায় প্রতিবন্ধীর কার্ড ইস্যু করা হয়।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আতাউর রহমান জানান, প্রতিবন্ধীর বিষয়টি সঠিক কিনা, ডাক্তারি সনদের ওপর অনেকটা নির্ভর করে। ডাক্তারি সনদটি যাচাইয়ের পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভুয়া প্রতিবন্ধী সেজে সরকারি ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

 মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
০১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পুত্র শহীদ হাওলাদার
পুত্র শহীদ হাওলাদার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক পিতার মৃত্যুর পর পুত্র ভুয়া শ্রবণ প্রতিবন্ধীর কাগজ তৈরি করে পেনশন ভাতার লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ হওয়ায় সংশিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন তদন্তে ভুয়া ও জাল-জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের চড়কগাছিয়া গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মৃত লেহাজ উদ্দিনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী জবেদা খাতুন পেনশন ভোগ করে আসছিলেন। মা জবেদা খাতুনের মৃত্যুর পর তার পুত্র শহীদ হাওলাদার অন্যান্য ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে শ্রবণ প্রতিবন্ধীর ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দেন এবং বিগত ২০১২ সাল থেকে  প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কাঞ্চন পঞ্চায়েত ও চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়া সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন, মৃত লেহাজ উদ্দিন মাস্টারের পুত্র শহীদ প্রতিবন্ধী নন।

অভিযোগ রয়েছে, এ অনিয়ম ও দুর্নীতিতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিট অফিসার মজিবর রহমানের যোগসাজশ রয়েছে। তবে তিনি জানান, আমি কাউকে নিয়মকানুনের বিষয়ে পরামর্শ দিতেই পারি।

অভিযুক্ত শহীদ আত্মগোপনে থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এমনকি মুঠোফোনটি স্ত্রীর কাছে রেখে যান।

এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অধিদফতরের সাপলেজা ইউনিয়নের মাঠকর্মী মো. হুমাউন কবীর জানান, চিকিৎসক প্রতিবন্ধীর প্রত্যয়ন দেয়ায় প্রতিবন্ধীর কার্ড ইস্যু করা হয়।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আতাউর রহমান জানান, প্রতিবন্ধীর বিষয়টি সঠিক কিনা, ডাক্তারি সনদের ওপর অনেকটা নির্ভর করে। ডাক্তারি সনদটি যাচাইয়ের পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন