শাবিপ্রবি ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
jugantor
শাবিপ্রবি ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

  বগুড়া ব্যুরো  

০১ অক্টোবর ২০২০, ২১:৩৯:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সদর থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ছাত্রী আছিয়া আকতার সুমির (২১) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের মথুরা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাড়ির বারান্দা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আছিয়া আকতার সুমি বগুড়া সদরের মথুরা পশ্চিমপাড়া গ্রামের পান ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিনের মেয়ে। তিনি শাবিপ্রবির বাংলা প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

এলাকাবাসী জানান, প্রায় ৫ বছর আগে শাজাহানপুরের বনানী এলাকায় নূর আলম নামে এক যুবকের সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়। বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় স্বামী মারা যান। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন তিনি।

মা লাভলী বেগম জানান, বুধবার রাতে সুমি খাবার পর নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে বারান্দায় চালের বাঁশের সঙ্গে তার গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।

তিনি ও পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে সে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। তাদের ধারণা এ সমস্যা থেকেই সুমি আত্মহত্যা করেছে।

তবে এলাকাবাসী ও সুমির বান্ধবীরা দাবি করেন, মহাস্থানের শাহ্ আলমের ছেলে সরকারি আজিজুল হক কলেজের ছাত্র শামীমের সঙ্গে সুমির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। প্রায় তিন মাস আগে সুমি বিয়ের দাবিতে শামীমের বাড়িতে যায়। তখন বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।

মাঝে কিছুদিন তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল না। পরবর্তীতে শামীম আবারও সুমির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। সম্প্রতি শামীমের দেয়া এসএমএস নিয়ে সুমি বিধ্বস্ত ছিল।

একই দাবি করেছেন সুমির চাচা শাহ আলম। তার ভাতিজির ফোনের এসএমএস রেকর্ড পর্যালোচনা করলে এ আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান। নামুজা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মন্টু মিয়াও একই মন্তব্য করেন।

সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, সুমির আত্মহত্যার ব্যাপারে তার পরিবার কিছু বলতে পারেনি। তবে স্বামীর মৃত্যু, প্রেম, মোবাইল ফোনে প্রেমিকের এসএমএস বিষয়ে শুনেছেন। সুমির লক করা ফোন জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এ ব্যাপারে সদর থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা হয়েছে।

শাবিপ্রবি ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

 বগুড়া ব্যুরো 
০১ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সদর থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ছাত্রী আছিয়া আকতার সুমির (২১) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের মথুরা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাড়ির বারান্দা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। 

নিহত আছিয়া আকতার সুমি বগুড়া সদরের মথুরা পশ্চিমপাড়া গ্রামের পান ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিনের মেয়ে। তিনি শাবিপ্রবির বাংলা প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

এলাকাবাসী জানান, প্রায় ৫ বছর আগে শাজাহানপুরের বনানী এলাকায় নূর আলম নামে এক যুবকের সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়। বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় স্বামী মারা যান। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন তিনি। 

মা লাভলী বেগম জানান, বুধবার রাতে সুমি খাবার পর নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে বারান্দায় চালের বাঁশের সঙ্গে তার গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। 

তিনি ও পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে সে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। তাদের ধারণা এ সমস্যা থেকেই সুমি আত্মহত্যা করেছে। 

তবে এলাকাবাসী ও সুমির বান্ধবীরা দাবি করেন, মহাস্থানের শাহ্ আলমের ছেলে সরকারি আজিজুল হক কলেজের ছাত্র শামীমের সঙ্গে সুমির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। প্রায় তিন মাস আগে সুমি বিয়ের দাবিতে শামীমের বাড়িতে যায়। তখন বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।

মাঝে কিছুদিন তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল না। পরবর্তীতে শামীম আবারও সুমির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। সম্প্রতি শামীমের দেয়া এসএমএস নিয়ে সুমি বিধ্বস্ত ছিল। 

একই দাবি করেছেন সুমির চাচা শাহ আলম। তার ভাতিজির ফোনের এসএমএস রেকর্ড পর্যালোচনা করলে এ আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান। নামুজা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মন্টু মিয়াও একই মন্তব্য করেন।

সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, সুমির আত্মহত্যার ব্যাপারে তার পরিবার কিছু বলতে পারেনি। তবে স্বামীর মৃত্যু, প্রেম, মোবাইল ফোনে প্রেমিকের এসএমএস বিষয়ে শুনেছেন। সুমির লক করা ফোন জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এ ব্যাপারে সদর থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন