ভুল করে খাস হওয়া জমি ফিরে পেলেন আজিজুল
jugantor
ভুল করে খাস হওয়া জমি ফিরে পেলেন আজিজুল

  কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০১ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩০:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর ইউনিয়নের সোনাকান্দা মৌজার ৫৮ শতাংশ জমি সিএস ও এসএ রেকর্ডে ব্যক্তি মালিকানার হলেও আরএস রেকর্ডে ভুলবশত সেটা খাস খতিয়ানভুক্ত হয়ে যায়। ব্যক্তি মালিকানার জমি খাস খতিয়ানভুক্ত হওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে যান জমির মালিক আজিজুল হক।

এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ২০০৭ সালে দেওয়ানি কোর্টে তিনি একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার রায় তার পক্ষে এলেও জমি তিনি ফিরে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর ঢাকা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ওই জমি ফিরে পেয়েছেন আজিজুল হক।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ বলেন, জেলা প্রশাসক বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। এরপর তিনি ঘটনার তদন্ত করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে রেকর্ড সংশোধন করে জমিটি আজিজুল হককে ফিরিয়ে দিতে আমাদের নির্দেশ দেন। ইতোমধ্যে রেকর্ড সংশোধন করা হয়েছে এবং আজিজুল হকের জমি তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

আজিজুল হক জমি ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জমি ফিরে পেতে বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়েছি। ওই জমিটিই ছিল আমাদের শেষ সম্বল। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে আমার জমি ফিরিয়ে দিয়েছেন।

ভুল করে খাস হওয়া জমি ফিরে পেলেন আজিজুল

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর ইউনিয়নের সোনাকান্দা মৌজার ৫৮ শতাংশ জমি সিএস ও এসএ রেকর্ডে ব্যক্তি মালিকানার হলেও আরএস রেকর্ডে ভুলবশত সেটা খাস খতিয়ানভুক্ত হয়ে যায়। ব্যক্তি মালিকানার জমি খাস খতিয়ানভুক্ত হওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে যান জমির মালিক আজিজুল হক।

এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ২০০৭ সালে দেওয়ানি কোর্টে তিনি একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার রায় তার পক্ষে এলেও জমি তিনি ফিরে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর ঢাকা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ওই জমি ফিরে পেয়েছেন আজিজুল হক।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ বলেন, জেলা প্রশাসক বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। এরপর তিনি ঘটনার তদন্ত করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে রেকর্ড সংশোধন করে জমিটি আজিজুল হককে ফিরিয়ে দিতে আমাদের নির্দেশ দেন। ইতোমধ্যে রেকর্ড সংশোধন করা হয়েছে এবং আজিজুল হকের জমি তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

আজিজুল হক জমি ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জমি ফিরে পেতে বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়েছি। ওই জমিটিই ছিল আমাদের শেষ সম্বল। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে আমার জমি ফিরিয়ে দিয়েছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন