সরকারি চাল কালোবাজারি: ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের নামে চার্জশিট 
jugantor
সরকারি চাল কালোবাজারি: ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের নামে চার্জশিট 

  যশোর ব্যুরো  

০১ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪০:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের মনিরামপুরের সরকারি চাল কালোবাজারি মামলায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের নামে চার্জশিট দিয়েছে ডিবি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওসি সৌমেন দাস এ চার্জশিট জমা দেন।

অভিযুক্তরা হলেন- মনিরামপুরের হাকোবা গ্রামের মৃত সুনীল চক্রবর্তীর ছেলে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম কুমার চক্রবর্তী ওরফে বাচ্চু, জুড়ানপুর গ্রামের একাব্বর মোড়লের ছেলে কুদ্দুস, রবিন দাসের ছেলে জগদীশ দাস, তাহেরপুর গ্রামের মৃত সোলাইমান মোড়লের ছেলে শহিদুল ইসলাম, বিজয়রামপুর গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে চালকল মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা গ্রামের রতন হাওলাদারের ছেলে ট্রাকচালক ফরিদ হাওলাদার।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৪ এপ্রিল মনিরামপুর থানার এসআই তপন কুমার সিংহ গোপন সংবাদ পান বিজয়রামপুরের ভাই ভাই রাইস মিলে সরকারি চাল ট্রাক থেকে নামানো হচ্ছে। তিনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মিল মালিক মামুন ও ট্রাকচালক ফরিদকে আটক করেন।

এ চাল কাবিখার রেশনের বলে আটক দুজন জিজ্ঞাসাবাদে জানান। এ চালের কোনো বৈধ কাগজপত্র তাদের কাছে ছিল না। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী, ওসি রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বায়েজিদসহ সরকারি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান।

এরপর ওই ট্রাক থেকে ৫৪৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে এসআই তপন কুমার সিংহ বাদী হয়ে কালোবাজারির মাধ্যমে চাল মজুতের অভিযোগে আটক দুজনসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে মনিরামপুর থানায় মামলা করেন।

মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে ডিবি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়। মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়া তথ্যের যাচাই-বাছাই করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ওই ৬ জনকে অভিযুক্ত করে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত ভাইস চেয়ারম্যান বাচ্চুকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

সরকারি চাল কালোবাজারি: ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের নামে চার্জশিট 

 যশোর ব্যুরো 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের মনিরামপুরের সরকারি চাল কালোবাজারি মামলায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের নামে চার্জশিট দিয়েছে ডিবি পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওসি সৌমেন দাস এ চার্জশিট জমা দেন।

অভিযুক্তরা হলেন- মনিরামপুরের হাকোবা গ্রামের মৃত সুনীল চক্রবর্তীর ছেলে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম কুমার চক্রবর্তী ওরফে বাচ্চু, জুড়ানপুর গ্রামের একাব্বর মোড়লের ছেলে কুদ্দুস, রবিন দাসের ছেলে জগদীশ দাস, তাহেরপুর গ্রামের মৃত সোলাইমান মোড়লের ছেলে শহিদুল ইসলাম, বিজয়রামপুর গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে চালকল মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা গ্রামের রতন হাওলাদারের ছেলে ট্রাকচালক ফরিদ হাওলাদার।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৪ এপ্রিল মনিরামপুর থানার এসআই তপন কুমার সিংহ গোপন সংবাদ পান বিজয়রামপুরের ভাই ভাই রাইস মিলে সরকারি চাল ট্রাক থেকে নামানো হচ্ছে। তিনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মিল মালিক মামুন ও ট্রাকচালক ফরিদকে আটক করেন। 

এ চাল কাবিখার রেশনের বলে আটক দুজন জিজ্ঞাসাবাদে জানান। এ চালের কোনো বৈধ কাগজপত্র তাদের কাছে ছিল না। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী, ওসি রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বায়েজিদসহ সরকারি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। 

এরপর ওই ট্রাক থেকে ৫৪৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে এসআই তপন কুমার সিংহ বাদী হয়ে কালোবাজারির মাধ্যমে চাল মজুতের অভিযোগে আটক দুজনসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে মনিরামপুর থানায় মামলা করেন। 

মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে ডিবি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়। মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়া তথ্যের যাচাই-বাছাই করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ওই ৬ জনকে অভিযুক্ত করে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত ভাইস চেয়ারম্যান বাচ্চুকে পলাতক দেখানো হয়েছে।
 

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন