মঠবাড়িয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ
jugantor
মঠবাড়িয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ

  আবদুস সালাম আজাদী, মঠবাড়িয়া থেকে  

০২ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৫০:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মঠবাড়িয়া

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের মঠবাড়িয়া-ডৌয়াতলা সড়কের নয়াহাট সংলগ্ন ব্রিজটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। সূর্যমনি আশিকুড়া গ্রামসহ ৩টি গ্রামের হাজার-হাজার লোকজন প্রতিদিন এ ব্রিজটি দিয়ে যাতায়াত করেন। নয়াহাট এলাকায় রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলার প্রধান বাজার ছাড়াও আশপাশে রয়েছে তিনটি বাজার।

সরেজমিন গেলে স্থানীয় দোকানি নিজাম, রুবেল জানান, প্রায় ৪-৫ বছর ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে একেবারে জরাজীর্ণ। ৩-৪টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এ ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করে। গাড়ি চলাচলের অনুপযোগী হয়েছে বহু বছর আগে। ব্রিজের পাটা ভেঙে যাওয়ার কারণে স্থানীয়রা কাঠের গুঁড়ি ফেলে হেঁটে চলাচল করছেন। স্কুল খোলা থাকাকালীন শিশুদের অভিভাবকরাও ভয়ে থাকেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু হানিফ হাওলাদার জানান, ব্রিজটি বেশ কয়েক বছর ধরে অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কোনো ধরনের গাড়ি চলাচল করতে পারে না। স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে মানুষ চলাচলের জন্য ব্রিজের ওপর কাঠের গুঁড়ি দেয়া হয়েছে। ব্রিজটি দ্রুত মেরামতের দাবি করছি।

উপজেলা প্রকৌশলী কাজী আবু সাঈদ মো. জসিম বলেন, ব্রিজটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ, ইতোমধ্যে ওই ব্রিজসহ ৫টি ব্রিজের মাটির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শীঘ্রই দরপত্র আহ্বান করা হবে।

মঠবাড়িয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ

 আবদুস সালাম আজাদী, মঠবাড়িয়া থেকে 
০২ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মঠবাড়িয়া
চলাচলের অযোগ্য ব্রিজ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের মঠবাড়িয়া-ডৌয়াতলা সড়কের নয়াহাট সংলগ্ন ব্রিজটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। সূর্যমনি আশিকুড়া গ্রামসহ ৩টি গ্রামের হাজার-হাজার লোকজন প্রতিদিন এ ব্রিজটি দিয়ে যাতায়াত করেন। নয়াহাট এলাকায় রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলার প্রধান বাজার ছাড়াও আশপাশে রয়েছে তিনটি বাজার। 

সরেজমিন গেলে স্থানীয় দোকানি নিজাম, রুবেল জানান, প্রায় ৪-৫ বছর ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে একেবারে জরাজীর্ণ। ৩-৪টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এ ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করে। গাড়ি চলাচলের অনুপযোগী হয়েছে বহু বছর আগে। ব্রিজের পাটা ভেঙে যাওয়ার কারণে স্থানীয়রা কাঠের গুঁড়ি ফেলে হেঁটে চলাচল করছেন। স্কুল খোলা থাকাকালীন শিশুদের অভিভাবকরাও ভয়ে থাকেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু হানিফ হাওলাদার জানান, ব্রিজটি বেশ কয়েক বছর ধরে অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কোনো ধরনের গাড়ি চলাচল করতে পারে না। স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে মানুষ চলাচলের জন্য ব্রিজের ওপর কাঠের গুঁড়ি দেয়া হয়েছে। ব্রিজটি দ্রুত মেরামতের দাবি করছি।

উপজেলা প্রকৌশলী কাজী আবু সাঈদ মো. জসিম বলেন, ব্রিজটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ, ইতোমধ্যে ওই ব্রিজসহ ৫টি ব্রিজের মাটির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শীঘ্রই দরপত্র আহ্বান করা হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন