এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আরও ৩ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
jugantor
এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আরও ৩ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

  সিলেট ব্যুরো  

০৩ অক্টোবর ২০২০, ১৫:১২:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের মামালায় রিমান্ড শেষে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছেন আরও ছাত্রলীগ নেতা মাহাবুবুর রহমান রনি, রাজন মিয়া ও আইনুদ্দিন।

এরআগে গত শুক্রবার প্রধান আসামি সাইফুর এবং অন্য দুই আসামি অর্জুন লস্কর ও রবিউল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

শনিবার দুপুর ১টায় ধর্ষণ মামলার আসামি মাহাবুবুর রহমান রনি, রাজন ও আইনুদ্দিনকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জিয়াদুর রহমানের আদালতে হাজির করা হয়।

তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে আদালত তাদের প্রত্যেককে রিফ্রেশমেন্টের জন্য সময় দেন। এরপর একেক জনকে আলাদাভাবে আদালতে নেয়া হয়।

বেলা আড়াই টার দিকে জবানবন্দি নেয়ার জন্য রাজনকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে, অন্যদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান ও শারমিন খানম নিলার আদালতে নেয়া হয়েছে। সেখানে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হচ্ছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই নববধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়। এ পর্যন্ত মামলার ছয়জন এজাহারভুক্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেফতার হয়েছেন।

এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আরও ৩ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

 সিলেট ব্যুরো 
০৩ অক্টোবর ২০২০, ০৩:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের মামালায় রিমান্ড শেষে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছেন  আরও  ছাত্রলীগ নেতা মাহাবুবুর রহমান রনি, রাজন মিয়া ও আইনুদ্দিন।
 
এরআগে গত শুক্রবার প্রধান আসামি সাইফুর এবং অন্য দুই আসামি অর্জুন লস্কর ও রবিউল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

শনিবার দুপুর ১টায় ধর্ষণ মামলার আসামি মাহাবুবুর রহমান রনি, রাজন ও আইনুদ্দিনকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জিয়াদুর রহমানের আদালতে হাজির করা হয়।

তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে আদালত তাদের প্রত্যেককে রিফ্রেশমেন্টের জন্য সময় দেন। এরপর একেক জনকে আলাদাভাবে আদালতে নেয়া হয়।

বেলা আড়াই টার দিকে জবানবন্দি নেয়ার জন্য রাজনকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে, অন্যদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান ও শারমিন খানম নিলার আদালতে নেয়া হয়েছে। সেখানে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হচ্ছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই নববধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়। এ পর্যন্ত মামলার ছয়জন এজাহারভুক্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেফতার হয়েছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সিলেট এমসি কলেজ হোস্টেলে গণধর্ষণ

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন