সারিয়াকান্দিতে লোকালয়ে বন্যার পানি
jugantor
সারিয়াকান্দিতে লোকালয়ে বন্যার পানি

  বগুড়া ব্যুরো  

০৩ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৩৭:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শনিবার দুপুরে যমুনার পানি এক সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে বাঙালিতে পানি বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। দুটি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই উপজেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত ডুবে গেছে। বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বিপুল পরিমাণ আমন ধানক্ষেত তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবর রহমান জানান, কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যমুনার পানি কিছুটা কমলেও বাঙালির পানি আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বাঙালি নদীর তীরবর্তী নিচু এলাকার লোকালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। চতুর্থ দফায় বন্যায় কৃষকদের আমন ধান, শাকসবজি ও চরাঞ্চলের আউশ, মরিচ, রোপা আমন, বীজতলা, শাকসবজি ও গাইঞ্জা ধানের আবাদ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে।

বাঙালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন করে বন্যায় সারিয়াকান্দি পৌরসভার দক্ষিণ হিন্দুকান্দি, পারতিত পরল, চান্দিনা নোয়ারপাড়া, নিজবরুরবাড়ি, ছাগলধরা, ডোমকান্দি, বাসহাটা, ভেলাবাড়ী, হাটশেরপুর ইউনিয়নের হাসনাপাড়া, শাহানবান্দা, চর এলাকার বোহাইল, কর্নিবাড়ী, কাজলা, চালুয়াবাড়ী, হাট শেরপুর ও সদর ইউনিয়নের নিচু এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কৃষকদের শত শত হেক্টর জমির আমন ধানের আবাদ বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

সারিয়াকান্দিতে লোকালয়ে বন্যার পানি

 বগুড়া ব্যুরো 
০৩ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত
নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শনিবার দুপুরে যমুনার পানি এক সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে বাঙালিতে পানি বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। দুটি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই উপজেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত ডুবে গেছে। বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বিপুল পরিমাণ আমন ধানক্ষেত তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবর রহমান জানান, কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

যমুনার পানি কিছুটা কমলেও বাঙালির পানি আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বাঙালি নদীর তীরবর্তী নিচু এলাকার লোকালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। চতুর্থ দফায় বন্যায় কৃষকদের আমন ধান, শাকসবজি ও  চরাঞ্চলের আউশ, মরিচ, রোপা আমন, বীজতলা, শাকসবজি ও গাইঞ্জা ধানের আবাদ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। 

বাঙালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন করে বন্যায় সারিয়াকান্দি পৌরসভার দক্ষিণ হিন্দুকান্দি, পারতিত পরল, চান্দিনা নোয়ারপাড়া, নিজবরুরবাড়ি, ছাগলধরা, ডোমকান্দি, বাসহাটা, ভেলাবাড়ী, হাটশেরপুর ইউনিয়নের হাসনাপাড়া, শাহানবান্দা, চর এলাকার বোহাইল, কর্নিবাড়ী, কাজলা, চালুয়াবাড়ী, হাট শেরপুর ও সদর ইউনিয়নের নিচু এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কৃষকদের শত শত হেক্টর জমির আমন ধানের আবাদ বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন