নেত্রকোনায় নিজ ঘরে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, জখম দেবর
jugantor
নেত্রকোনায় নিজ ঘরে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, জখম দেবর

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

০৪ অক্টোবর ২০২০, ১১:৩২:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনায় নিজ ঘরে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, জখম দেবর

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় নিজ ঘরে এক গৃহবধূকে গলা কাটে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় ওই ঘরে গলাকাটা অবস্থায় তার দেবরকে উদ্ধার করা হয়।

রোববার ভোরে পূর্বধলা উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়া গ্রাম থেকে হতাহতদের উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত গৃহবধূর নাম লিপি আক্তার (৩৫)। তিনি একই গ্রামের বিজিবি সদস্য আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। আহত রাসেল একই বাড়ির আলাল উদ্দিনের ছেলে ও লিপির স্বামীর চাচাতো ভাই।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিহত লিপি আক্তারের স্বামী আজিজুল হক পঞ্চগড়ে বিজিবির সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন। আলিফ নামে তাদের ১২ বছরের এক ছেলে রয়েছে। লিপি তার ছেলেকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতেই থাকতেন।

ঘটনার দিন শনিবার রাতে লিপি আক্তার তার ছেলেকে নিয়ে নিজ ঘরের এক পাশে ও একই ঘরের অন্যপাশে লিপির দেবর সিরাজুল ইসলাম তার স্ত্রীকে নিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে হঠাৎ ঘরে গোঙানির শব্দ শুনে তারা জেগে দেখেন ঘরের মেঝেতে লিপি ও রাসেল গলাকাটা অবস্থায় পড়ে আছে।

তখন তাদের চিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে আহত দুজনকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিপিকে মৃত ঘোষণা করেন। রাসেলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত লিপির শ্বশুর জালাল উদ্দিন জানান, তার ছেলে আজিজুল প্রায় ১৫ বছর আগে বিজিবিতে যোগদান করেন। এর কিছু দিন পর উপজেলার জারিয়া গ্রামে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবন ভালো চললেও গত ৩-৪ বছর ধরে লিপির সঙ্গে রাসেলের পরকীয়ার সম্পর্কের কথা শোনা যাচ্ছিল।

এক সপ্তাহ আগেও তার ছেলে আজিজুল ছুটিতে বাড়িতে এসে এ নিয়ে পারিবারিকভাবে দেনদরবার করে কর্মস্থলে ফিরে যায়। কি কারণে ও কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে তা তিনি বুঝে ওঠতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল পিপিএম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা হচ্ছে– পরকীয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি (কাগজ কাটার এন্টিকাটার) উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ঘটনার প্রকৃত কারণ বলা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে।

নেত্রকোনায় নিজ ঘরে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, জখম দেবর

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
০৪ অক্টোবর ২০২০, ১১:৩২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নেত্রকোনায় নিজ ঘরে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, জখম দেবর
ফাইল ছবি

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় নিজ ঘরে এক গৃহবধূকে গলা কাটে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় ওই ঘরে গলাকাটা অবস্থায় তার দেবরকে উদ্ধার করা হয়।

রোববার ভোরে পূর্বধলা উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়া গ্রাম থেকে হতাহতদের উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত গৃহবধূর নাম লিপি আক্তার (৩৫)। তিনি একই গ্রামের বিজিবি সদস্য আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। আহত রাসেল একই বাড়ির আলাল উদ্দিনের ছেলে ও লিপির স্বামীর চাচাতো ভাই।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিহত লিপি আক্তারের স্বামী আজিজুল হক পঞ্চগড়ে বিজিবির সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন। আলিফ নামে তাদের ১২ বছরের এক ছেলে রয়েছে। লিপি তার ছেলেকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতেই থাকতেন।

ঘটনার দিন শনিবার রাতে লিপি আক্তার তার ছেলেকে নিয়ে নিজ ঘরের এক পাশে ও একই ঘরের অন্যপাশে লিপির দেবর সিরাজুল ইসলাম তার স্ত্রীকে নিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে হঠাৎ ঘরে গোঙানির শব্দ শুনে তারা জেগে দেখেন ঘরের মেঝেতে লিপি ও রাসেল গলাকাটা অবস্থায় পড়ে আছে।

তখন তাদের চিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে আহত দুজনকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিপিকে মৃত ঘোষণা করেন। রাসেলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত লিপির শ্বশুর জালাল উদ্দিন জানান, তার ছেলে আজিজুল প্রায় ১৫ বছর আগে বিজিবিতে যোগদান করেন। এর কিছু দিন পর উপজেলার জারিয়া গ্রামে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবন ভালো চললেও গত ৩-৪ বছর ধরে লিপির সঙ্গে রাসেলের পরকীয়ার সম্পর্কের কথা শোনা যাচ্ছিল।

এক সপ্তাহ আগেও তার ছেলে আজিজুল ছুটিতে বাড়িতে এসে এ নিয়ে পারিবারিকভাবে দেনদরবার করে কর্মস্থলে ফিরে যায়। কি কারণে ও কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে তা তিনি বুঝে ওঠতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল পিপিএম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা হচ্ছে– পরকীয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি (কাগজ কাটার এন্টিকাটার) উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ঘটনার প্রকৃত কারণ বলা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন