গরিবের চাল ইউপি সদস্যের পেটে
jugantor
গরিবের চাল ইউপি সদস্যের পেটে

  কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৪ অক্টোবর ২০২০, ২২:০৫:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কাশিয়ানী

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ইউপি সদস্য ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারের বিরুদ্ধে অন্যের নামের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখ ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালের ডিলার আলিম আল মোরশেদের বিরুদ্ধে এ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হতদরিদ্র নুর ইসলাম শেখ, খবির খান, ভানু বেগম, সাহেব আলী খান ও শ্যামলা বেগম ১০ টাকা মূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকাভুক্তির জন্য ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখের কাছে জমা দেন। কিন্তু বিল্লাল শেখ তাদের নামে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড ইস্যু করে ডিলারের যোগসাজশে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে এসব ব্যক্তির নামের চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে আসছেন।

ভুক্তভোগী ভানু বেগম (৫০) বলেন, আমার ১০ টাকার চালের তালিকায় নাম আছে তা আমি জানতাম না। কিছুদিন আগে গ্রামপুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি আমার নামে কার্ড আছে। আমি ডিলারের কাছে চাল আনতে যাই। ডিলার আমাকে বলে আপনার নামের চাল নিয়ে গেছে। আমার মতো আরও অনেকের নাম তালিকায় থাকলেও তারা চাল পায়নি। এজন্য আমরা কয়েকজন মিলে ইউএনও স্যারের কাছে অভিযোগ করেছি।

ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখ বলেন, যে কার্ডগুলো নিয়ে অভিযোগ উঠেছে সে কার্ডগুলো আমি করিনি। কে বা কারা করেছে তা আমি জানি না।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার আলিম আল মোরশেদ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এ পর্যন্ত ২৬২ জনের মাঝে চাল বিতরণ করেছি। তবে কে কে চাল নিয়েছে আমি দেখিনি। ভুক্তভোগীরা আমার কাছে এসেছিল। তবে এসব কার্ডের চাল এবার অন্য কেউ নিতে এলে আমি তাদের আটকে দেব। ঘটনার সাথে মেম্বাররা জড়িত থাকতে পারে।

রাতইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএম হারুন অর রশিদ পিনুর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব ডিলারের। এখানে চেয়ারম্যান-মেম্বারের কী করার আছে।

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ রায় অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গরিবের চাল ইউপি সদস্যের পেটে

 কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৪ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কাশিয়ানী
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ইউপি সদস্য ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারের বিরুদ্ধে অন্যের নামের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ইউপি সদস্য ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারের বিরুদ্ধে অন্যের নামের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। 

উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখ ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালের ডিলার আলিম আল মোরশেদের বিরুদ্ধে এ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। 

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হতদরিদ্র নুর ইসলাম শেখ, খবির খান, ভানু বেগম, সাহেব আলী খান ও শ্যামলা বেগম ১০ টাকা মূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকাভুক্তির জন্য ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখের কাছে জমা দেন। কিন্তু বিল্লাল শেখ তাদের নামে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড ইস্যু করে ডিলারের যোগসাজশে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে এসব ব্যক্তির নামের চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে আসছেন। 

ভুক্তভোগী ভানু বেগম (৫০) বলেন, আমার ১০ টাকার চালের তালিকায় নাম আছে তা আমি জানতাম না। কিছুদিন আগে গ্রামপুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি আমার নামে কার্ড আছে। আমি ডিলারের কাছে চাল আনতে যাই। ডিলার আমাকে বলে আপনার নামের চাল নিয়ে গেছে। আমার মতো আরও অনেকের নাম তালিকায় থাকলেও তারা চাল পায়নি। এজন্য আমরা কয়েকজন মিলে ইউএনও স্যারের কাছে অভিযোগ করেছি।

ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখ বলেন, যে কার্ডগুলো নিয়ে অভিযোগ উঠেছে সে কার্ডগুলো আমি করিনি। কে বা কারা করেছে তা আমি জানি না। 

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার আলিম আল মোরশেদ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এ পর্যন্ত ২৬২ জনের মাঝে চাল বিতরণ করেছি। তবে কে কে চাল নিয়েছে আমি দেখিনি। ভুক্তভোগীরা আমার কাছে এসেছিল। তবে এসব কার্ডের চাল এবার অন্য কেউ নিতে এলে আমি তাদের আটকে দেব। ঘটনার সাথে মেম্বাররা জড়িত থাকতে পারে।

রাতইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএম হারুন অর রশিদ পিনুর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব ডিলারের। এখানে চেয়ারম্যান-মেম্বারের কী করার আছে।

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ রায় অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন