নারীর সহযোগিতায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ
jugantor
নারীর সহযোগিতায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

  দিনাজপুর ও বিরল প্রতিনিধি  

০৬ অক্টোবর ২০২০, ১৭:৩৮:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের বিরলে নারীর সহযোগিতায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ অভিযোগে সহযোগী এক নারীসহ পুলিশ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

বিরল থানায় দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী ৩ অক্টোবর বাড়ি থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার সময় শানু আরা নামে এক নারীর সহযোগিতায় ফুসলিয়ে ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধরে নিয়ে যায় লিটন হোসেন ও মো. মোস্তফা নামে দুই যুবক।

লিটন হোসেন (৩০) পলাশবাড়ী ইউপির মুন্সিপাড়ার বুদু মোহাম্মদ ওরফে বছিরের ছেলে ও মো. মোস্তফা ওরফে ধলু (২৮) কটিয়াপাড়ার বেলাল হোসেনের ছেলে। ওই দুই যুবক স্কুলছাত্রীকে বিরল উপজেলার চককাঞ্চন এলাকার জীবনমহল পার্কে নিয়ে গিয়ে একটি ঘরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এরপর তারা ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ঢাকার বাইপাইল নামক স্থানে অজ্ঞাত এক বাড়িতে আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে আবারও ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানতে পেরে পুলিশ সহযোগী শানু আরাকে আটক করার পর ৪ অক্টোবর রাতে স্কুলছাত্রীকে দিনাজপুরে ফিরিয়ে আনে লিটন হোসেন ও মোস্তফা।

এরপর বিরল থানায় ৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন স্কুলছাত্রীর বাবা। পুলিশ সহযোগী শানু আরা ও ধর্ষক লিটনকে গ্রেফতার করে। পলাতক রয়েছে অপর ধর্ষক মোস্তফা।

বিরল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল কাদের জানান, মঙ্গলবার ওই স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত শানু আরা ও লিটনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নারীর সহযোগিতায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

 দিনাজপুর ও বিরল প্রতিনিধি 
০৬ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের বিরলে নারীর সহযোগিতায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ অভিযোগে সহযোগী এক নারীসহ পুলিশ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

বিরল থানায় দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী ৩ অক্টোবর বাড়ি থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার সময় শানু আরা নামে এক নারীর সহযোগিতায় ফুসলিয়ে ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধরে নিয়ে যায় লিটন হোসেন ও মো. মোস্তফা নামে দুই যুবক।

লিটন হোসেন (৩০) পলাশবাড়ী ইউপির মুন্সিপাড়ার বুদু মোহাম্মদ ওরফে বছিরের ছেলে ও মো. মোস্তফা ওরফে ধলু (২৮) কটিয়াপাড়ার বেলাল হোসেনের ছেলে। ওই দুই যুবক স্কুলছাত্রীকে বিরল উপজেলার চককাঞ্চন এলাকার জীবনমহল পার্কে নিয়ে গিয়ে একটি ঘরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এরপর তারা ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ঢাকার বাইপাইল নামক স্থানে অজ্ঞাত এক বাড়িতে আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে আবারও ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানতে পেরে পুলিশ সহযোগী শানু আরাকে আটক করার পর ৪ অক্টোবর রাতে স্কুলছাত্রীকে দিনাজপুরে ফিরিয়ে আনে লিটন হোসেন ও মোস্তফা। 

এরপর বিরল থানায় ৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন স্কুলছাত্রীর বাবা। পুলিশ সহযোগী শানু আরা ও ধর্ষক লিটনকে গ্রেফতার করে। পলাতক রয়েছে অপর ধর্ষক মোস্তফা। 

বিরল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল কাদের জানান, মঙ্গলবার ওই স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত শানু আরা ও লিটনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন