ঘুমন্ত স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
jugantor
ঘুমন্ত স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  কুমিল্লা ব্যুরো     

০৬ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩৫:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ঘুমন্ত স্বামীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জুলেখা বেগম নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া ওই নারীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জেলার মুরাদনগরে আলোচিত আবু তাহের হত্যার ১১ বছর পর তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০০৯ সালের ৪ মার্চ রাতে জেলার মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের আবু তাহেরকে ঘুমন্ত অবস্থায় দা দিয়ে জবাই এবং কুপিয়ে হত্যা করে তার স্ত্রী জুলেখা বেগম।

হত্যাকাণ্ড ঘটানোর আগে দিনের বেলায় পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরবর্তীতে রাত প্রায় ১০টার দিকে স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় ঘুমাতে যায়। এরপর আনুমানিক রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্বামী আবু তাহেরকে ঘুমে রেখে গলায় দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে স্ত্রী জুলেখা।

পরবর্তীতে স্বামীর মরদেহ ঘরে রেখে বাড়ির পাশের ঝোঁপের ভেতর লুকিয়ে থাকে সে। এ ঘটনায় পুলিশ আবু তাহেরের মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্ত্রী জুলেখাকে ঝোঁপের ভেতর থেকে আটক করে।

পরে তাহেরের ভাই ওয়াহেদ আলী বাদী হয়ে এ ঘটনায় মুরাদনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে জুলেখা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা একই বছরের ৫ মে মামলার চার্জশিট জমা দেন। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন।

ঘুমন্ত স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

 কুমিল্লা ব্যুরো    
০৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ঘুমন্ত স্বামীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জুলেখা বেগম নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

এছাড়া ওই নারীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জেলার মুরাদনগরে আলোচিত আবু তাহের হত্যার ১১ বছর পর তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। 

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০০৯ সালের ৪ মার্চ রাতে জেলার মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের আবু তাহেরকে ঘুমন্ত অবস্থায় দা দিয়ে জবাই এবং কুপিয়ে হত্যা করে তার স্ত্রী জুলেখা বেগম। 

হত্যাকাণ্ড ঘটানোর আগে দিনের বেলায় পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরবর্তীতে রাত প্রায় ১০টার দিকে স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় ঘুমাতে যায়। এরপর আনুমানিক রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্বামী আবু তাহেরকে ঘুমে রেখে গলায় দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে স্ত্রী জুলেখা। 

পরবর্তীতে স্বামীর মরদেহ ঘরে রেখে বাড়ির পাশের ঝোঁপের ভেতর লুকিয়ে থাকে সে। এ ঘটনায় পুলিশ আবু তাহেরের মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্ত্রী জুলেখাকে ঝোঁপের ভেতর থেকে আটক করে।

পরে তাহেরের ভাই ওয়াহেদ আলী বাদী হয়ে এ ঘটনায় মুরাদনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে জুলেখা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা একই বছরের ৫ মে মামলার চার্জশিট জমা দেন। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন