ক্যাম্পের বন্দিদশা থেকে রোহিঙ্গা যুবক উদ্ধার
jugantor
ক্যাম্পের বন্দিদশা থেকে রোহিঙ্গা যুবক উদ্ধার

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

০৭ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৪৮:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার টেকনাফ চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্দিদশা থেকে মো. আমির (২৮) নামে এক যুবককে উদ্ধার করেছে এপিবিএন-১৬ সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া যুবক ব্লক-ডি চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২১ এর বাসিন্দা ইসলামের ছেলে আমির হোসেন।

মঙ্গলবার হতাহতের ঘটনাপরবর্তী বুধবার ভোরে এপিবিএন-১৬ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল রানার নেতৃত্বে অপহৃত মো. আমির হোসেনকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে সে সেভ দ্য চিলড্রেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এপিবিএন-১৬ এর কমান্ডিং অফিসার হেমায়েত উল্লাহ বলেন, ৬ অক্টোবর রাতের হতাহতের ঘটনায় র্যােব কয়েকজনকে আটক করে। এ ঘটনায় চাকমারকুল থেকে আমির নামে এক রোহিঙ্গাকে র‌্যাবের সোর্স মনে করে ওই ক্যাম্পের একটি স্কুলে আটক করে রাখে। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনা সম্পর্কে জানতে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন ক্যাম্প পরিদর্শনে আসছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। পরিস্থিতি এই ভালো তো এই খারাপ। গত ৬ দিনে ক্যাম্পে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় টেকনাফের স্থানীয় দুই গাড়িচালকসহ আটজন খুন হয়েছেন।

ক্যাম্পের বন্দিদশা থেকে রোহিঙ্গা যুবক উদ্ধার

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
০৭ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার টেকনাফ চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্দিদশা থেকে মো. আমির (২৮) নামে এক যুবককে উদ্ধার করেছে এপিবিএন-১৬ সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া যুবক ব্লক-ডি চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২১ এর বাসিন্দা ইসলামের ছেলে আমির হোসেন।

মঙ্গলবার হতাহতের ঘটনাপরবর্তী বুধবার ভোরে এপিবিএন-১৬ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল রানার নেতৃত্বে অপহৃত মো. আমির হোসেনকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে সে সেভ দ্য চিলড্রেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এপিবিএন-১৬ এর কমান্ডিং অফিসার হেমায়েত উল্লাহ বলেন, ৬ অক্টোবর রাতের হতাহতের ঘটনায় র্যােব কয়েকজনকে আটক করে। এ ঘটনায় চাকমারকুল থেকে আমির নামে এক রোহিঙ্গাকে র‌্যাবের সোর্স মনে করে ওই ক্যাম্পের একটি স্কুলে আটক করে রাখে। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনা সম্পর্কে জানতে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন ক্যাম্প পরিদর্শনে আসছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। পরিস্থিতি এই ভালো তো এই খারাপ। গত ৬ দিনে ক্যাম্পে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় টেকনাফের স্থানীয় দুই গাড়িচালকসহ আটজন খুন হয়েছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন