কালকিনিতে হাতির চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ মানুষ
jugantor
কালকিনিতে হাতির চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ মানুষ

  কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

০৭ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৩৫:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

কালকিনিতে হাতির চাঁদাবাজি

মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি হাতির বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন পথচারী ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা। পথে-ঘাটে হাতিটি দিয়ে গাড়ি থামিয়ে নেয়া হচ্ছে টাকা। এই টাকা আদায়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকার মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ও সড়কে এ চাঁদাবাজি করতে দেখা যায়।

উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ও গ্রামে ঢুকে হাতি দিয়ে অভিনব কায়দায় চলছে এ চাঁদাবাজি। হাতির শুঁড় দিয়ে মানুষ ও যানবাহন থামানোর কারণে ভুক্তভোগীরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

গত কয়েক দিন ধরে কাঠেরপুল, বয়াতিবাড়ি, ঘোষেরহাট, মজিদবাড়ি, পাথুরিয়াপাড়, সুনমন্দি বাজারসহ মজিদবাড়ি (ভূরঘাটা)-শশীকর সড়ক, পাথুরিয়ারপাড়-ইটেরপোল সড়কসহ বেশ কয়েকটি সড়কে হাতি দিয়ে চাঁদাবজির এ দৃশ্য সবার নজরে পড়ে।

সরেজমিন দেখা যায়, বড় আকৃতির একটি হাতি। পিঠে বসে আছেন ২৫ বছর বয়সের এক যুবক। যিনি হাতির মালিক। পিচঢালা রাস্তায় চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের পাশাপাশি মালিককে পিঠে নিয়ে হেলে-দুলে রাস্তার একপাশ দিয়ে চলছে হাতি। রাস্তার পাশে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের মালিককে শুঁড় উঁচু করে জানাচ্ছে সালাম।
পথচারী হারুন জানান, হাতিকে ১০ টাকা করে দিতে হবে, কারণ হাতি শুঁড় দিয়ে চেপে ধরছে। ১০ টাকার কম দিলে তা গ্রহণ করছে না। ১০ টাকা দিলে হাতিটি পিঠে বসে থাকা মালিকের হাতে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা দিয়ে দেয়।

কাঠেরপুল বাজারের দোকানদার দুলাল জানান, হাতি দোকানের সামনে এসে দাঁড়ালে ক্রেতারা ভয়ে দোকানে ঢুকতে সাহস পান না। বিড়ম্বনা এড়াতে দোকান মালিকরা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেন; যাতে হাতি তাড়াতাড়ি দোকানের সামনে থেকে চলে যায়। অপরদিকে সড়কে চলাচলকারী যানবাহন থামিয়েও টাকা আদায় করছে হাতি।
এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছিরউদ্দিন মৃধা বলেন,দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কালকিনিতে হাতির চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ মানুষ

 কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
০৭ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কালকিনিতে হাতির চাঁদাবাজি
কালকিনিতে হাতির চাঁদাবাজি

মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি হাতির বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন পথচারী ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা। পথে-ঘাটে হাতিটি দিয়ে গাড়ি থামিয়ে নেয়া হচ্ছে টাকা। এই টাকা আদায়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকার মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ও সড়কে এ চাঁদাবাজি করতে দেখা যায়। 

উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ও গ্রামে ঢুকে হাতি দিয়ে অভিনব কায়দায় চলছে এ চাঁদাবাজি। হাতির শুঁড় দিয়ে মানুষ ও যানবাহন থামানোর কারণে ভুক্তভোগীরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

গত কয়েক দিন ধরে কাঠেরপুল, বয়াতিবাড়ি, ঘোষেরহাট, মজিদবাড়ি, পাথুরিয়াপাড়, সুনমন্দি বাজারসহ মজিদবাড়ি (ভূরঘাটা)-শশীকর সড়ক, পাথুরিয়ারপাড়-ইটেরপোল সড়কসহ বেশ কয়েকটি সড়কে হাতি দিয়ে চাঁদাবজির এ দৃশ্য সবার নজরে পড়ে।

সরেজমিন দেখা যায়, বড় আকৃতির একটি হাতি। পিঠে বসে আছেন ২৫ বছর বয়সের এক যুবক। যিনি হাতির মালিক। পিচঢালা রাস্তায় চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের পাশাপাশি মালিককে পিঠে নিয়ে হেলে-দুলে রাস্তার একপাশ দিয়ে চলছে হাতি। রাস্তার পাশে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের মালিককে শুঁড় উঁচু করে জানাচ্ছে সালাম। 
পথচারী হারুন জানান, হাতিকে ১০ টাকা করে দিতে হবে, কারণ হাতি শুঁড় দিয়ে চেপে ধরছে। ১০ টাকার কম দিলে তা গ্রহণ করছে না। ১০ টাকা দিলে হাতিটি পিঠে বসে থাকা মালিকের হাতে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা দিয়ে দেয়।

কাঠেরপুল বাজারের দোকানদার দুলাল জানান, হাতি দোকানের সামনে এসে দাঁড়ালে ক্রেতারা ভয়ে দোকানে ঢুকতে সাহস পান না। বিড়ম্বনা এড়াতে দোকান মালিকরা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেন; যাতে হাতি তাড়াতাড়ি দোকানের সামনে থেকে চলে যায়। অপরদিকে সড়কে চলাচলকারী যানবাহন থামিয়েও টাকা আদায় করছে হাতি।
এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মো. নাছিরউদ্দিন মৃধা বলেন,দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন